ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বিচার করবে কৃত্রিম মেধা? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বজুড়ে লেখালেখি, গবেষণা ও তথ্য যাচাইসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিচার ব্যবস্থায় এর প্রভাব নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালে এস্তোনিয়ায় মামলার জট কমাতে রোবট বিচারক নিয়োগের প্রস্তাব উঠলেও তা নাকচ হয়ে যায়। বর্তমানে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পুরনো মামলার নথি সংগ্রহ ও অনুবাদের মতো কাজে এআই ব্যবহার করা হলেও মানুষের বিকল্প হিসেবে একে বিচারকের আসনে বসানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আইনি নথির মর্মার্থ উদ্ধার বা তথ্য বিশ্লেষণে এআই দক্ষ হলেও মানবিক যুক্তি ও সূক্ষ্ম সংবেদনশীলতার বিচার করার ক্ষমতা যন্ত্রের নেই।

আইনজীবী ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলার শুনানি চলাকালীন বাদী-বিবাদী পক্ষের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ও জবানবন্দি বিচার করার জন্য যে মেধা ও দক্ষতার প্রয়োজন, তা কেবল মানুষেরই রয়েছে। প্রযুক্তির উন্নতির ফলে অপরাধের ধরন বদলানোয় বর্তমানে ‘সায়েন্টিফিক এভিডেন্স’ বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণের গুরুত্ব বাড়লেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বিচারকের হাতেই থাকা শ্রেয়। কারণ বিচার ব্যবস্থা পুরোপুরি যান্ত্রিক হয়ে গেলে বড় ধরনের ত্রুটির আশঙ্কা থাকে। তাই আইনি প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া গেলেও মানুষের বিচারবোধ ও যুক্তির বিকল্প কোনো যন্ত্র হতে পারে না বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে মতপার্থক্য

বিচার করবে কৃত্রিম মেধা? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বজুড়ে লেখালেখি, গবেষণা ও তথ্য যাচাইসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিচার ব্যবস্থায় এর প্রভাব নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালে এস্তোনিয়ায় মামলার জট কমাতে রোবট বিচারক নিয়োগের প্রস্তাব উঠলেও তা নাকচ হয়ে যায়। বর্তমানে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পুরনো মামলার নথি সংগ্রহ ও অনুবাদের মতো কাজে এআই ব্যবহার করা হলেও মানুষের বিকল্প হিসেবে একে বিচারকের আসনে বসানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আইনি নথির মর্মার্থ উদ্ধার বা তথ্য বিশ্লেষণে এআই দক্ষ হলেও মানবিক যুক্তি ও সূক্ষ্ম সংবেদনশীলতার বিচার করার ক্ষমতা যন্ত্রের নেই।

আইনজীবী ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলার শুনানি চলাকালীন বাদী-বিবাদী পক্ষের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ও জবানবন্দি বিচার করার জন্য যে মেধা ও দক্ষতার প্রয়োজন, তা কেবল মানুষেরই রয়েছে। প্রযুক্তির উন্নতির ফলে অপরাধের ধরন বদলানোয় বর্তমানে ‘সায়েন্টিফিক এভিডেন্স’ বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণের গুরুত্ব বাড়লেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বিচারকের হাতেই থাকা শ্রেয়। কারণ বিচার ব্যবস্থা পুরোপুরি যান্ত্রিক হয়ে গেলে বড় ধরনের ত্রুটির আশঙ্কা থাকে। তাই আইনি প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া গেলেও মানুষের বিচারবোধ ও যুক্তির বিকল্প কোনো যন্ত্র হতে পারে না বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।