২০২৬ সালের ২৩ মার্চ সকালে এক নিভৃতপল্লির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হয়। গন্তব্য ছিল বৃহত্তর মোমেনশাহী অঞ্চলের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, অথচ বর্তমান প্রজন্মের কাছে প্রায় অপরিচিত এক মনীষীর পৈতৃক ভিটা। জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সুরক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ মুহাম্মদ উমারা হাবীবের সঙ্গী হয়ে এই অভিযানে শামিল হওয়া। এর আগে কবি রওশন ইজদানির জীবন নিয়ে কাজ করলেও এবার লক্ষ্য ছিল আরেক বিস্মৃত লেখক আবু ফাতেমা মুহাম্মদ ইসহাক।
কিশোরগঞ্জের নান্দাইল উপজেলার মেঠোপথ পেরিয়ে আমরা যখন বড়ইবাড়ি গ্রামে পৌঁছাই, তখন চারদিকের সবুজ প্রকৃতি আমাদের মুগ্ধ করে। সেখানে লেখকের পুত্র বুলবুল মাস্টারের সঙ্গে দেখা হয়। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তার আলমারি থেকে বেরিয়ে আসে একের পর এক অমূল্য পাণ্ডুলিপি। ধর্ম, দর্শন, ইতিহাস এবং সাহিত্যের নানা শাখায় আবু ফাতেমা মুহাম্মদ ইসহাকের বিচরণ দেখে আমরা বিস্মিত হই। তার সাবলীল ভাষা ও গভীর চিন্তাধারা সমসাময়িক অনেক বড় লেখককেও হার মানায়। এমন এক প্রতিভাবান মানুষের কথা এতদিন অজানা থাকায় মনে এক ধরনের অনুশোচনাও কাজ করছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























