ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তা: ফাঁস হওয়া নথি ঘিরে তোলপাড়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইসরাইলকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে— এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ফাঁস হওয়া একটি গোপন নথি অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের সামরিক ঘাঁটি ইসরাইলের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল। এই তথ্য মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ক্রেডল’-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্ম ‘এমিরেটলিকস’ ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে এই গোপন নথিটি প্রকাশ করে। নথিটি ইউএই সশস্ত্র বাহিনীর জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ডের উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিল। এর মূল লেখক হিসেবে আল-দাফরা অঞ্চলের প্রতিনিধি এবং ইউএই রেড ক্রিসেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান হামদান বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই নথিটিতে ইসরাইলের সামরিক অভিযান পরিচালনায় ইউএই-এর সম্ভাব্য সহায়তা, যেমন— গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ এবং লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানা গেছে।

এই অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের উপর ইসরাইলের আগ্রাসন যখন বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হচ্ছে, তখন একটি আরব দেশের এমন সহায়তা আন্তর্জাতিক শান্তি ও ন্যায়বিচারের নীতিমালার পরিপন্থী বলে অনেকেই মনে করছেন। ফাঁস হওয়া নথির সত্যতা এবং এর পেছনের কারণ অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক মহল থেকে চাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘ এক মাস পর ইরাকের তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু

গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তা: ফাঁস হওয়া নথি ঘিরে তোলপাড়

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইসরাইলকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে— এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ফাঁস হওয়া একটি গোপন নথি অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের সামরিক ঘাঁটি ইসরাইলের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল। এই তথ্য মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ক্রেডল’-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্ম ‘এমিরেটলিকস’ ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে এই গোপন নথিটি প্রকাশ করে। নথিটি ইউএই সশস্ত্র বাহিনীর জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ডের উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিল। এর মূল লেখক হিসেবে আল-দাফরা অঞ্চলের প্রতিনিধি এবং ইউএই রেড ক্রিসেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান হামদান বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই নথিটিতে ইসরাইলের সামরিক অভিযান পরিচালনায় ইউএই-এর সম্ভাব্য সহায়তা, যেমন— গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ এবং লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানা গেছে।

এই অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের উপর ইসরাইলের আগ্রাসন যখন বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হচ্ছে, তখন একটি আরব দেশের এমন সহায়তা আন্তর্জাতিক শান্তি ও ন্যায়বিচারের নীতিমালার পরিপন্থী বলে অনেকেই মনে করছেন। ফাঁস হওয়া নথির সত্যতা এবং এর পেছনের কারণ অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক মহল থেকে চাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।