মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চূড়ান্ত চুক্তির খসড়ায় একমত হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা নিশ্চিত করেছেন। পাকিস্তান এই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গেছে।
শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি কাছাকাছি। সম্প্রতি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার পর এই কূটনৈতিক সাফল্যের খবর সামনে এলো। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।
প্রস্তাবিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের প্রাথমিক ঘোষণা দেওয়া হবে। তবে ইসরায়েল এই আলোচনার সরাসরি অংশ না হওয়ায় লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারে এখনো অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। চুক্তির পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং উচ্চ-মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণের কারিগরি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে।
চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছিল। এই চুক্তির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরার আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























