ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের ঘোষণা: পুনর্গঠন ও নিরস্ত্রীকরণে জোর ট্রাম্পের দূতের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

গাজায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরানোর লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাটি দেন।

স্টিভ উইটকফ জানান, যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার এই দ্বিতীয় পর্যায়ে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এগুলো হলো— গাজার নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করা, একটি দক্ষ টেকনোক্র্যাটিক বা প্রযুক্তিবিশারদ শাসিত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার সামগ্রিক পুনর্গঠন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা।

মার্কিন দূতের এই ঘোষণায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ওয়াশিংটন আশা করে হামাস এই চুক্তির অধীনে থাকা তাদের সমস্ত বাধ্যবাধকতা ও শর্তগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। বিশেষ করে, হামাসের হাতে থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের সব মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়টি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

চুক্তির শর্ত পালনে কোনো ধরনের ব্যর্থতা বা অবহেলা প্রদর্শন করলে হামাসকে কঠোর ও গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উইটকফ। গাজা সংকটের টেকসই সমাধানে ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের ঘোষণা: পুনর্গঠন ও নিরস্ত্রীকরণে জোর ট্রাম্পের দূতের

আপডেট সময় : ১০:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

গাজায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরানোর লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাটি দেন।

স্টিভ উইটকফ জানান, যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার এই দ্বিতীয় পর্যায়ে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এগুলো হলো— গাজার নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করা, একটি দক্ষ টেকনোক্র্যাটিক বা প্রযুক্তিবিশারদ শাসিত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার সামগ্রিক পুনর্গঠন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা।

মার্কিন দূতের এই ঘোষণায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ওয়াশিংটন আশা করে হামাস এই চুক্তির অধীনে থাকা তাদের সমস্ত বাধ্যবাধকতা ও শর্তগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। বিশেষ করে, হামাসের হাতে থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের সব মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়টি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

চুক্তির শর্ত পালনে কোনো ধরনের ব্যর্থতা বা অবহেলা প্রদর্শন করলে হামাসকে কঠোর ও গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উইটকফ। গাজা সংকটের টেকসই সমাধানে ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।