ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র নয়, ডেনমার্ককেই বেছে নেবে গ্রিনল্যান্ড: প্রধানমন্ত্রী

গ্রিনল্যান্ড কোন দেশের সঙ্গে থাকতে চায়, সে বিষয়ে নিজেদের সুস্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন দ্বীপটির প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেছেন, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা ডেনমার্ককেই অগ্রাধিকার দেবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ডকে সংযুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশের পর দ্বীপটির শীর্ষ প্রতিনিধির পক্ষ থেকে এটিই সবচেয়ে জোরালো ও সুনির্দিষ্ট বক্তব্য।

প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তার এই বক্তব্য গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চলা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে তার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি গ্রিনল্যান্ডকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার সম্ভাবনার কথা বলেন। তবে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষ থেকেই এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।

গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ এবং এর প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ন্ত্রণ করে, তবে দ্বীপটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নিজস্ব সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। প্রধানমন্ত্রী নিলসেনের এই মন্তব্য গ্রিনল্যান্ডের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং ডেনমার্কের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র নয়, ডেনমার্ককেই বেছে নেবে গ্রিনল্যান্ড: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:০৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রিনল্যান্ড কোন দেশের সঙ্গে থাকতে চায়, সে বিষয়ে নিজেদের সুস্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন দ্বীপটির প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেছেন, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা ডেনমার্ককেই অগ্রাধিকার দেবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ডকে সংযুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশের পর দ্বীপটির শীর্ষ প্রতিনিধির পক্ষ থেকে এটিই সবচেয়ে জোরালো ও সুনির্দিষ্ট বক্তব্য।

প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তার এই বক্তব্য গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চলা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে তার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি গ্রিনল্যান্ডকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার সম্ভাবনার কথা বলেন। তবে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষ থেকেই এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।

গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ এবং এর প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ন্ত্রণ করে, তবে দ্বীপটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নিজস্ব সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। প্রধানমন্ত্রী নিলসেনের এই মন্তব্য গ্রিনল্যান্ডের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং ডেনমার্কের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।