আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই একযোগে আয়োজিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত গণভোট। এই গণভোট সম্পর্কে সাধারণ ভোটারদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর গুরুত্ব তুলে ধরতে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আদেশ জারি করা হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণভোটের নির্ধারিত লোগো সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন এমনভাবে প্রদর্শন করতে হবে, যা সহজেই সাধারণ মানুষের দৃষ্টিগোচর হয়। এছাড়া, সরকারি সব ধরনের দাপ্তরিক যোগাযোগ, চিঠিপত্র, আদেশ ও প্রজ্ঞাপনে নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত এই লোগো ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কেবল প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই নয়, বরং অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করে এবং শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এই বার্তা প্রতিটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও সক্রিয়ভাবে এই প্রচারণা চালানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মূলত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এ বর্ণিত রাষ্ট্র সংস্কারের মৌলিক প্রস্তাবনাগুলোর ওপর জনগণের প্রত্যক্ষ রায় বা জনমত যাচাইয়ের লক্ষ্যেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যথাযথ গুরুত্বের সাথে এই প্রচারণা কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মাঠ পর্যায়ের সকল শিক্ষা কর্মকর্তাদের তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলো।
রিপোর্টারের নাম 

























