ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

পাতানো নির্বাচনের শঙ্কা ও গণভোটে ঘনঘটা

জুলাই সনদ আলোচনায় নেই অনেক দিন ধরেই। আর সেই সনদে থাকা রাষ্ট্র সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে সাংবিধানিক রূপ দিতে যে গণভোটের আয়োজন চলছে, তার ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ ও হতাশা রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ মহলে। আমার দেশ-এর এক শীর্ষ সংবাদে গণভোট প্রশ্নে রাজনৈতিক নেতৃত্বে নির্লিপ্ততা ও একধরনের উপেক্ষা সরকারকে হতাশ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে গণভোট নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা তার প্রতিটি বক্তব্যে এ বিষয়ে জোর দিচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ভবিষ্যতে যারা এ দেশ পরিচালনা করবেন, তারা যেন আর কখনোই ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এবারের গণভোট। নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনকেও গণভোট নিয়ে মাঠে নামতে হবে। তিনি আরো যোগ করে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট নিয়ে জনগণকে বোঝানোর কাজটি শুধু অন্তর্বর্তী সরকার করতে গেলে অনেক কথা উঠবে।

শুক্রবার দিনাজপুরে এক বক্তব্যে সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক, সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, আগামী নির্বাচন ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এটি পাঁচ বছরের জন্য নয়। কারণ এ নির্বাচনে একটি গণভোট হচ্ছে। উপদেষ্টা বলেন, ‘গণভোটে চারটি প্রশ্ন আছে। সব কটি প্রশ্ন আমরা একটা প্যাকেজ হিসেবে দিয়েছি। যদি দেশে সংস্কার চান, তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। সংস্কার না চাইলে ‘না’ ভোট দেবেন। ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে বিভিন্ন সংস্কার বাস্তবায়িত হবে।’

বিজ্ঞাপন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শচীনকে ছাড়িয়ে কোহলির বিশ্বরেকর্ড, কিউইদের হারিয়ে শুভসূচনা ভারতের

পাতানো নির্বাচনের শঙ্কা ও গণভোটে ঘনঘটা

আপডেট সময় : ০৬:১৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই সনদ আলোচনায় নেই অনেক দিন ধরেই। আর সেই সনদে থাকা রাষ্ট্র সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে সাংবিধানিক রূপ দিতে যে গণভোটের আয়োজন চলছে, তার ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ ও হতাশা রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ মহলে। আমার দেশ-এর এক শীর্ষ সংবাদে গণভোট প্রশ্নে রাজনৈতিক নেতৃত্বে নির্লিপ্ততা ও একধরনের উপেক্ষা সরকারকে হতাশ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে গণভোট নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা তার প্রতিটি বক্তব্যে এ বিষয়ে জোর দিচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ভবিষ্যতে যারা এ দেশ পরিচালনা করবেন, তারা যেন আর কখনোই ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এবারের গণভোট। নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনকেও গণভোট নিয়ে মাঠে নামতে হবে। তিনি আরো যোগ করে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট নিয়ে জনগণকে বোঝানোর কাজটি শুধু অন্তর্বর্তী সরকার করতে গেলে অনেক কথা উঠবে।

শুক্রবার দিনাজপুরে এক বক্তব্যে সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক, সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, আগামী নির্বাচন ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এটি পাঁচ বছরের জন্য নয়। কারণ এ নির্বাচনে একটি গণভোট হচ্ছে। উপদেষ্টা বলেন, ‘গণভোটে চারটি প্রশ্ন আছে। সব কটি প্রশ্ন আমরা একটা প্যাকেজ হিসেবে দিয়েছি। যদি দেশে সংস্কার চান, তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। সংস্কার না চাইলে ‘না’ ভোট দেবেন। ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে বিভিন্ন সংস্কার বাস্তবায়িত হবে।’

বিজ্ঞাপন