ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

পাকপুরের মৃত্যু: ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নেতৃত্বে আহমাদ ভাহিদি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুরের মৃত্যুর পর, এই শক্তিশালী বাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে আহমাদ ভাহিদিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা পাকপুরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পরপরই এই গুরুত্বপূর্ণ রদবদল ঘটল। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে আইআরজিসির শীর্ষ পদে এই পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

আইআরজিসি ইরানের সামরিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অঙ্গনে এক প্রভাবশালী শক্তি। এটি দেশটির নিয়মিত সামরিক বাহিনী থেকে সম্পূর্ণ পৃথকভাবে পরিচালিত হয় এবং নিজস্ব কর্মপরিধি ও ক্ষমতা কাঠামো বজায় রাখে। প্রায় ৪৫ বছর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবকে সুরক্ষিত করার প্রধান লক্ষ্য নিয়ে ‘সিপাহ-ই পাসদারান’ নামে এই বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

বর্তমানে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী আধাসামরিক বাহিনী হিসেবে পরিচিত। তাদের সক্রিয় সদস্য সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। এই বাহিনীর নিজস্ব স্থল, বিমান ও নৌ ইউনিট রয়েছে, যা তাদের সামরিক সক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এছাড়াও, ইরানের কৌশলগত অস্ত্রশস্ত্রের দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অত্যন্ত সংবেদনশীল দায়িত্বও আইআরজিসির ওপর ন্যস্ত। আহমাদ ভাহিদীর নেতৃত্বে আইআরজিসি আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে কী ধরনের ভূমিকা পালন করে, তা এখন আন্তর্জাতিক মহলের পর্যবেক্ষণে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা: কখন, কতবার ও কেন রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা জরুরি?

পাকপুরের মৃত্যু: ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নেতৃত্বে আহমাদ ভাহিদি

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুরের মৃত্যুর পর, এই শক্তিশালী বাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে আহমাদ ভাহিদিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা পাকপুরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পরপরই এই গুরুত্বপূর্ণ রদবদল ঘটল। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে আইআরজিসির শীর্ষ পদে এই পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

আইআরজিসি ইরানের সামরিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অঙ্গনে এক প্রভাবশালী শক্তি। এটি দেশটির নিয়মিত সামরিক বাহিনী থেকে সম্পূর্ণ পৃথকভাবে পরিচালিত হয় এবং নিজস্ব কর্মপরিধি ও ক্ষমতা কাঠামো বজায় রাখে। প্রায় ৪৫ বছর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবকে সুরক্ষিত করার প্রধান লক্ষ্য নিয়ে ‘সিপাহ-ই পাসদারান’ নামে এই বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

বর্তমানে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী আধাসামরিক বাহিনী হিসেবে পরিচিত। তাদের সক্রিয় সদস্য সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। এই বাহিনীর নিজস্ব স্থল, বিমান ও নৌ ইউনিট রয়েছে, যা তাদের সামরিক সক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এছাড়াও, ইরানের কৌশলগত অস্ত্রশস্ত্রের দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অত্যন্ত সংবেদনশীল দায়িত্বও আইআরজিসির ওপর ন্যস্ত। আহমাদ ভাহিদীর নেতৃত্বে আইআরজিসি আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে কী ধরনের ভূমিকা পালন করে, তা এখন আন্তর্জাতিক মহলের পর্যবেক্ষণে থাকবে।