ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ার সাবেক সেনাপ্রধান ও তার দুই স্ত্রী গ্রেপ্তার: বড় অংকের অর্থ পাচারের অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

সেনাবাহিনীর কেনাকাটায় বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগে মালয়েশিয়ার সাবেক সেনাপ্রধান মোহাম্মদ হাফিজউদ্দিন জানতান এবং তার দুই স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি)। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

এমএসিসি সূত্রে জানা গেছে, সামরিক বাহিনীর একটি ক্রয় প্রকল্পে অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সাবেক এই সেনাপ্রধান ও তার দুই স্ত্রীসহ আরও দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তদন্তের স্বার্থে গত বছরের শেষ দিক থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়েছে এবং বেশ কিছু ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। সংস্থাটির প্রধান কমিশনার আজম বাকি জানান, এই দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় ২৪ লাখ রিঙ্গিত পাচারের একটি চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সাবেক এই সেনাপ্রধানের অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু করে মালয়েশীয় গোয়েন্দারা। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর গত ডিসেম্বর মাসে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। এমএসিসি প্রধান আশ্বাস দিয়েছেন যে, তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। তবে মামলার স্পর্শকাতরতার কারণে বর্তমানে পুরো বিষয়টি কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আলবানিজের পরিবারের মামলা: ফিলিস্তিন ইস্যুতে আইনি লড়াই

মালয়েশিয়ার সাবেক সেনাপ্রধান ও তার দুই স্ত্রী গ্রেপ্তার: বড় অংকের অর্থ পাচারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:২৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

সেনাবাহিনীর কেনাকাটায় বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগে মালয়েশিয়ার সাবেক সেনাপ্রধান মোহাম্মদ হাফিজউদ্দিন জানতান এবং তার দুই স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি)। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

এমএসিসি সূত্রে জানা গেছে, সামরিক বাহিনীর একটি ক্রয় প্রকল্পে অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সাবেক এই সেনাপ্রধান ও তার দুই স্ত্রীসহ আরও দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তদন্তের স্বার্থে গত বছরের শেষ দিক থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়েছে এবং বেশ কিছু ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। সংস্থাটির প্রধান কমিশনার আজম বাকি জানান, এই দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় ২৪ লাখ রিঙ্গিত পাচারের একটি চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সাবেক এই সেনাপ্রধানের অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু করে মালয়েশীয় গোয়েন্দারা। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর গত ডিসেম্বর মাসে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। এমএসিসি প্রধান আশ্বাস দিয়েছেন যে, তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। তবে মামলার স্পর্শকাতরতার কারণে বর্তমানে পুরো বিষয়টি কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।