চাঁপাইনবাবগঞ্জের জহুরপুরটেক সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হেফাজতে থাকা অবস্থায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিক রবিউল ইসলামের মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
নিহত রবিউল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের সাতরশিয়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে রবিউলসহ কয়েকজন যুবক ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার নুরপুর এলাকায় প্রবেশ করলে বিএসএফ তাদের ধাওয়া দেয়। অন্যরা পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও রবিউল বিএসএফ সদস্যদের হাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে বিএসএফের হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মরদেহ হস্তান্তরের সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী দাবি করেছে, রবিউল মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং আটক অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ, বিএসএফের শারীরিক নির্যাতনের কারণেই রবিউলের মৃত্যু হয়েছে।
৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, মরদেহটি গ্রহণ করে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ হস্তান্তরের সময় কোনো ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না দেয়ায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনই বলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশে পুনরায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর আসল রহস্য এবং বিএসএফের দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
রিপোর্টারের নাম 

























