ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

লটকন চাষে স্বপ্নপূরণ: নরসিংদীর আক্তার হোসেনের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প

নরসিংদীর মনোহরদী পৌরসভায় এক সময়ের অভাবী কৃষক আক্তার হোসেন এখন লটকন চাষ করে স্বাবলম্বী। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম, সঠিক পরিচর্যা এবং কাজের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে। ২০০৯ সালে মাত্র তিন বিঘা পতিত জমিতে লটকনের চারা রোপণ করে তিনি এই যাত্রা শুরু করেন।

দীর্ঘ ১২ বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় ২০১২ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে লটকন বিক্রি শুরু করেন আক্তার হোসেন। বর্তমানে প্রতি বছর লটকন বিক্রি করে তাঁর আয় গড়ে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা। চলতি মৌসুমেও তিনি প্রায় ১০ লাখ টাকার লটকন বিক্রি করেছেন। লটকন চাষই এখন তাঁর পরিবারের স্বচ্ছলতার প্রধান উৎস।

আক্তার হোসেন জানান, শুরুর দিকে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি সফলতা অর্জন করেছেন। একসময় অভাব-অনটনে দিন কাটলেও লটকন চাষ তাঁর জীবন বদলে দিয়েছে। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে এখন সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করছে।

মনোহরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুনা আক্তার বলেন, লটকন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ফল। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এই ফল চাষ করে ভালো লাভ করা সম্ভব। আক্তার হোসেনের সাফল্য অন্য কৃষকদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুলশান লেকে এসটিপি নির্মাণে অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

লটকন চাষে স্বপ্নপূরণ: নরসিংদীর আক্তার হোসেনের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প

আপডেট সময় : ০৩:২৪:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নরসিংদীর মনোহরদী পৌরসভায় এক সময়ের অভাবী কৃষক আক্তার হোসেন এখন লটকন চাষ করে স্বাবলম্বী। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম, সঠিক পরিচর্যা এবং কাজের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে। ২০০৯ সালে মাত্র তিন বিঘা পতিত জমিতে লটকনের চারা রোপণ করে তিনি এই যাত্রা শুরু করেন।

দীর্ঘ ১২ বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় ২০১২ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে লটকন বিক্রি শুরু করেন আক্তার হোসেন। বর্তমানে প্রতি বছর লটকন বিক্রি করে তাঁর আয় গড়ে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা। চলতি মৌসুমেও তিনি প্রায় ১০ লাখ টাকার লটকন বিক্রি করেছেন। লটকন চাষই এখন তাঁর পরিবারের স্বচ্ছলতার প্রধান উৎস।

আক্তার হোসেন জানান, শুরুর দিকে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি সফলতা অর্জন করেছেন। একসময় অভাব-অনটনে দিন কাটলেও লটকন চাষ তাঁর জীবন বদলে দিয়েছে। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে এখন সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করছে।

মনোহরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুনা আক্তার বলেন, লটকন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ফল। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এই ফল চাষ করে ভালো লাভ করা সম্ভব। আক্তার হোসেনের সাফল্য অন্য কৃষকদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।