ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ন্যূনতম জাতীয় ঐকমত্য রক্ষার অঙ্গীকার জোনায়েদ সাকির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, আগামীতে ন্যূনতম জাতীয় ঐকমত্য রক্ষা করতে চাই। ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কারের উদ্যোগ, নির্বাচন, সংবিধান সংস্কার পরিষদে সংস্কার প্রস্তাব গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন আমাদের কর্তব্য। এই জাতীয় পুনর্গঠনের সময়ে যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ন্যূনতম জাতীয় ঐকমত্য বজায় রাখা জরুরি।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন। সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার ও মনির উদ্দীন পাপ্পু।

জোনায়েদ সাকি বলেন, “আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সহমর্মিতা ও শোক জানাতে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তার পরিবার ও তাদের দল একটি কঠিন সময় পার করছেন। বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি দেশের মানুষ তাদের ভালোবাসা দেখিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “একসঙ্গে বসার কারণে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নিয়ে তারেক রহমানের পরিকল্পনা আমরা শুনেছি। আমাদের দিক থেকে অনেক বিষয় শেয়ার করার সুযোগ হয়েছে। আশা করি ভবিষ্যতে আরও শেয়ার করার সুযোগ হবে।”

জোনায়েদ সাকি বলেন, “আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য হচ্ছে—সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার ছিল একাত্তরের বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের প্রতিশ্রুতি হচ্ছে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। এই দুই কাঠামোর অধীনে রাষ্ট্র, আইন, সংবিধান সবকিছুকে দাঁড় করানো, ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহিমূলক সরকার ব্যবস্থা তৈরি করা, তরুণদের বিকশিত হওয়া ও সুযোগ সৃষ্টি করা—এগুলোই আমাদের ভবিষ্যতের কাজ।”

আবুল হাসান রুবেল বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা সারা দেশবাসীর মতো গভীরভাবে শোকাহত। এই শোক ও সহমর্মিতা জানাতে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলোচনাও হয়েছে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ আলাপচারিতায় দেশের ভবিষ্যত নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমান আমাদের সঙ্গে দেশের অর্থনীতি, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ে ভাবনা শেয়ার করেছেন। আমরা আলোচনা করেছি যাতে আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করি।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে আজ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ: প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান

ন্যূনতম জাতীয় ঐকমত্য রক্ষার অঙ্গীকার জোনায়েদ সাকির

আপডেট সময় : ০১:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, আগামীতে ন্যূনতম জাতীয় ঐকমত্য রক্ষা করতে চাই। ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কারের উদ্যোগ, নির্বাচন, সংবিধান সংস্কার পরিষদে সংস্কার প্রস্তাব গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন আমাদের কর্তব্য। এই জাতীয় পুনর্গঠনের সময়ে যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ন্যূনতম জাতীয় ঐকমত্য বজায় রাখা জরুরি।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন। সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার ও মনির উদ্দীন পাপ্পু।

জোনায়েদ সাকি বলেন, “আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সহমর্মিতা ও শোক জানাতে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তার পরিবার ও তাদের দল একটি কঠিন সময় পার করছেন। বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি দেশের মানুষ তাদের ভালোবাসা দেখিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “একসঙ্গে বসার কারণে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নিয়ে তারেক রহমানের পরিকল্পনা আমরা শুনেছি। আমাদের দিক থেকে অনেক বিষয় শেয়ার করার সুযোগ হয়েছে। আশা করি ভবিষ্যতে আরও শেয়ার করার সুযোগ হবে।”

জোনায়েদ সাকি বলেন, “আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য হচ্ছে—সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার ছিল একাত্তরের বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের প্রতিশ্রুতি হচ্ছে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। এই দুই কাঠামোর অধীনে রাষ্ট্র, আইন, সংবিধান সবকিছুকে দাঁড় করানো, ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহিমূলক সরকার ব্যবস্থা তৈরি করা, তরুণদের বিকশিত হওয়া ও সুযোগ সৃষ্টি করা—এগুলোই আমাদের ভবিষ্যতের কাজ।”

আবুল হাসান রুবেল বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা সারা দেশবাসীর মতো গভীরভাবে শোকাহত। এই শোক ও সহমর্মিতা জানাতে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলোচনাও হয়েছে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ আলাপচারিতায় দেশের ভবিষ্যত নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমান আমাদের সঙ্গে দেশের অর্থনীতি, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ে ভাবনা শেয়ার করেছেন। আমরা আলোচনা করেছি যাতে আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করি।”