ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রামের তিনটি সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এসব আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ অধিকাংশ প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এই ঘোষণা দেন।
এই আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৩ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শহীদুল ইসলাম চৌধুরী। দলীয় মনোনয়নপত্র প্রদান না করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। একই কারণে মনোনয়ন বাতিল করা হয় জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. এরশাদ উল্যার। অপরদিকে একই আসনে এক শতাংশ ভোটারের সত্যতা না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফ ছিদ্দিকি’র মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী নুরুল আমিন।
ফটিকছড়ি আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন— স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির। এক শতাংশ ভোটারের তথ্য জমা না দেওয়ার কারণে তার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। একই কারণে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতারের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। অপরদিকে, নির্বাচনী ব্যয় ফরম, ব্যক্তিগত সম্পদ বিবরণী ও হলফনামা দাখিল না করায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুবের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। সমর্থনকারীর স্বাক্ষর না থাকায় বাতিল করা হয় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসানের।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে জমা পড়া ৫টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৩টি বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন— জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম. এ সালাম; দলীয় মনোনয়ন সঠিক না থাকায় তার আবেদন বাতিল হয়। ঋণ খেলাপী ও এক শতাংশ ভোটারের সত্যতা না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলার মনোনয়ন এবং দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা চাইলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
রিপোর্টারের নাম 

























