মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৭:১৯ পূর্বাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বেড়েছে চিনির দাম, কাঁচা মরিচ-শসায়ও অস্বস্তি

  • হালনাগাদ সময় : ০৮:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

রমজান মাসকে সামনে রেখে চিনির দাম বাড়ছে। দোকানভেদে বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়; যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা। এ ছাড়াও কাঁচা বাজারের শীতকালীন সবজিতে স্বস্তি থাকলেও কাঁচা মরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পুরান ঢাকার ধুপখোলা, নারিন্দা কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

কাঁচা মরিচ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে এখন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে কেজি ছিল ৮০ টাকা। এছাড়াও ৫০ টাকার শসা এখন প্রতিকেজি ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।  

নারিন্দা কাঁচা বাজারের বিক্রেতা জাবেদ জানান, বেশি শীতে উৎপাদন কম হওয়ায় কাঁচা মরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। এছাড়াও রমজানের আগে দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। এ জন্যও দাম বাড়তে পারে বলে জানান অনেক বিক্রেতা।

চিনি ও কাঁচা মরিচের দাম বাড়া নিয়ে সিরাজ নামে এক ক্রেতা জানান, শুধু চিনি, কাঁচা মরিচ না, রমজান আসতে আসতে দেখবেন সব কিছুর দাম বেড়ে যাবে। একমাত্র দেশ বাংলাদেশ, যেখানে রমজানের আগে দাম বেড়ে যায়।

তবে, সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজ ও শীতকালীন সবজির দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে কমই রয়েছে। কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অনেক সবজি। বাজার ও মানভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪৫ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। বেগুনের দাম কমে পাওয়া যাচ্ছে  ৪০-৬০ টাকায়। গত সপ্তাহের মতো মাঝারি আকারের ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়। শালগম ও পেঁপে কেজিপ্রতি ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ব্রোকলি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মৌসুমের বাইরে থাকা কিছু সবজির দাম ৭০-৮০ টাকা। পটোল, করলা ও ঢ্যাঁড়স এই দামে মিলছে। একই দামে মিলছে টমেটো।

সবজি কিনতে থাকা তাঁতীবাজারের এক ক্রেতা জানান, শীতকালে সবজির দাম কম থাকে। বাজার করে শান্তি মেলে। এমন সারা বছর থাকলে ক্রেতাদের সুবিধা হতো।

ধুপখোলার মুদি দোকানদার মামুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, চিনির দাম কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। আগের চিনি থাকায় যদিও আমরা এখনও দাম বাড়াইনি। ১০০ টাকা করে এখনও বিক্রি করছি। তবে নতুন চিনি আনলে সামনের থেকে দাম বাড়াতে হবে।

টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতিকেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ।

মুদি দোকানিরা জানান, চিনির দাম এখন পাইকারিতে বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতিকেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না। ৫০ কেজির বস্তার চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।

তবে, ডিম ও মুরগির বাজারে কোনও পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন ডিম ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৮০ টাকায়। অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। রায়সাহেব বাজারের গরু-খাসির মাংস ও মুরগির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসি ১২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে খাসির মাংস দোকান ভেদে কোথাও ১২৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও পরিবর্তন নেই মাছ বাজারেও। বড় জাতের রুই মাছ কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, হাইব্রিড কৈ মাছ ১৮০ থেকে ২০০ করে বিক্রি হচ্ছে। তবে বরাবরের মতো নাগালের বাইরে রয়েছে দেশি মাছের দাম। প্রতিকেজি দেশি শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকা করে। এছাড়াও দেশি কৈ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

মাছ বাজারে ঘুরতে থাকা তাঁতীবাজারের কয়েকজন ক্রেতা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সব মাছের দাম কম থাকলেও দেশি মাছে হাত দিতে পারছি না। এত দাম হলে সাধারণ মানুষ দেশি মাছ খেতে পারবে না।

রায়হান নামে বেসরকারি এক চাকরিজীবী জানান, সবসময় চাষের মাছ খেতে ভালো লাগে না। এ জন্য দেশি কৈ কিনতে চাইছিলাম। কিন্তু যে দাম দেখলাম তাতে অন্য বাজার বাদ দিয়ে শুধু কৈ মাছই কিনতে হবে। তাই পাঙাশ কিনেই বাসায় যাচ্ছি।

এখনও অপরিবর্তিত আছে নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদিপণ্যের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটার ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০-১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা, খোলা চিনি ৯৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৩০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১২০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এলাচ ৪ হাজার ৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ২৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১ হাজার ৩৫০ টাকা ও কালো গোল মরিচ ১ হাজার ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি প্যাকেট পোলাও চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাও চাল মানভেদে ৯০-১৩০ টাকা, ছোট মসুর ডাল ১৫৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে: হুমায়ুন কবীর

28 October 2026

নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে, ফল মেনে নেব: বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বেড়েছে চিনির দাম, কাঁচা মরিচ-শসায়ও অস্বস্তি

হালনাগাদ সময় : ০৮:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

রমজান মাসকে সামনে রেখে চিনির দাম বাড়ছে। দোকানভেদে বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়; যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা। এ ছাড়াও কাঁচা বাজারের শীতকালীন সবজিতে স্বস্তি থাকলেও কাঁচা মরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পুরান ঢাকার ধুপখোলা, নারিন্দা কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

কাঁচা মরিচ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে এখন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে কেজি ছিল ৮০ টাকা। এছাড়াও ৫০ টাকার শসা এখন প্রতিকেজি ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।  

নারিন্দা কাঁচা বাজারের বিক্রেতা জাবেদ জানান, বেশি শীতে উৎপাদন কম হওয়ায় কাঁচা মরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। এছাড়াও রমজানের আগে দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। এ জন্যও দাম বাড়তে পারে বলে জানান অনেক বিক্রেতা।

চিনি ও কাঁচা মরিচের দাম বাড়া নিয়ে সিরাজ নামে এক ক্রেতা জানান, শুধু চিনি, কাঁচা মরিচ না, রমজান আসতে আসতে দেখবেন সব কিছুর দাম বেড়ে যাবে। একমাত্র দেশ বাংলাদেশ, যেখানে রমজানের আগে দাম বেড়ে যায়।

তবে, সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজ ও শীতকালীন সবজির দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে কমই রয়েছে। কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অনেক সবজি। বাজার ও মানভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪৫ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। বেগুনের দাম কমে পাওয়া যাচ্ছে  ৪০-৬০ টাকায়। গত সপ্তাহের মতো মাঝারি আকারের ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়। শালগম ও পেঁপে কেজিপ্রতি ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ব্রোকলি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মৌসুমের বাইরে থাকা কিছু সবজির দাম ৭০-৮০ টাকা। পটোল, করলা ও ঢ্যাঁড়স এই দামে মিলছে। একই দামে মিলছে টমেটো।

সবজি কিনতে থাকা তাঁতীবাজারের এক ক্রেতা জানান, শীতকালে সবজির দাম কম থাকে। বাজার করে শান্তি মেলে। এমন সারা বছর থাকলে ক্রেতাদের সুবিধা হতো।

ধুপখোলার মুদি দোকানদার মামুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, চিনির দাম কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। আগের চিনি থাকায় যদিও আমরা এখনও দাম বাড়াইনি। ১০০ টাকা করে এখনও বিক্রি করছি। তবে নতুন চিনি আনলে সামনের থেকে দাম বাড়াতে হবে।

টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতিকেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ।

মুদি দোকানিরা জানান, চিনির দাম এখন পাইকারিতে বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতিকেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না। ৫০ কেজির বস্তার চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।

তবে, ডিম ও মুরগির বাজারে কোনও পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন ডিম ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৮০ টাকায়। অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। রায়সাহেব বাজারের গরু-খাসির মাংস ও মুরগির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসি ১২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে খাসির মাংস দোকান ভেদে কোথাও ১২৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও পরিবর্তন নেই মাছ বাজারেও। বড় জাতের রুই মাছ কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, হাইব্রিড কৈ মাছ ১৮০ থেকে ২০০ করে বিক্রি হচ্ছে। তবে বরাবরের মতো নাগালের বাইরে রয়েছে দেশি মাছের দাম। প্রতিকেজি দেশি শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকা করে। এছাড়াও দেশি কৈ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

মাছ বাজারে ঘুরতে থাকা তাঁতীবাজারের কয়েকজন ক্রেতা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সব মাছের দাম কম থাকলেও দেশি মাছে হাত দিতে পারছি না। এত দাম হলে সাধারণ মানুষ দেশি মাছ খেতে পারবে না।

রায়হান নামে বেসরকারি এক চাকরিজীবী জানান, সবসময় চাষের মাছ খেতে ভালো লাগে না। এ জন্য দেশি কৈ কিনতে চাইছিলাম। কিন্তু যে দাম দেখলাম তাতে অন্য বাজার বাদ দিয়ে শুধু কৈ মাছই কিনতে হবে। তাই পাঙাশ কিনেই বাসায় যাচ্ছি।

এখনও অপরিবর্তিত আছে নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদিপণ্যের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটার ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০-১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা, খোলা চিনি ৯৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৩০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১২০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এলাচ ৪ হাজার ৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ২৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১ হাজার ৩৫০ টাকা ও কালো গোল মরিচ ১ হাজার ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি প্যাকেট পোলাও চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাও চাল মানভেদে ৯০-১৩০ টাকা, ছোট মসুর ডাল ১৫৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card