ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বেড়েছে চিনির দাম, কাঁচা মরিচ-শসায়ও অস্বস্তি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

রমজানকে সামনে রেখে চিনির দাম বাড়ছে। দোকানভেদে বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়; যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা। এছাড়াও কাঁচা বাজারের শীতকালীন সবজিতে স্বস্তি থাকলেও কাঁচা মরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পুরান ঢাকার ধুপখোলা, নারিন্দা কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

কাঁচা মরিচ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে এখন ১২০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যা কেজি প্রতি ছিল ৮০ টাকায়। এছাড়াও ৫০ টাকার শসা এখন প্রতি কেজি ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।  

নারিন্দা কাঁচা বাজারের বিক্রেতা জাবেদ জানান, বেশি শীতে উৎপাদন কম হওয়ায় কাঁচা মরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। এছাড়াও রমজানের আগে দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। এ জন্য ও দাম বাড়তে পারে বলে জানান অনেক বিক্রেতা।

চিনি ও কাঁচা মরিচের দাম বাড়া নিয়ে সিরাজ নামে এক ক্রেতা জানান, শুধু চিনি, কাঁচা মরিচ না, রমজান আসতে আসতে দেখবেন সবকিছুর দাম বেড়ে যাবে। একমাত্র দেশ বাংলাদেশ, যেখানে রমজানের আগে দাম বেড়ে যায়।

তবে,সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজ ও শীতকালীন সবজির দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে কমই রয়েছে। কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অনেক সবজি। বাজার ও মানভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪৫ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি মূলা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। বেগুনের দাম কমে পাওয়া যাচ্ছে  ৪০-৬০ টাকায়। গত সপ্তাহের মতো মাঝারি আকারের ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়। শালগম ও পেঁপে কেজিপ্রতি ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ব্রোকলি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মৌসুমের বাইরে থাকা কিছু সবজির দাম ৭০-৮০ টাকা। পটোল, করলা ও ঢেঁড়স এই দামে মিলছে। একই দামে মিলছে টমেটো।

সবজি কিনতে থাকা তাঁতীবাজারের এক ক্রেতা জানান, শীতকালে সবজির দাম কম থাকে। বাজার করে শান্তি মেলে। এমন সারা বছর থাকলে ক্রেতাদের সুবিধা হতো।

ধুপখোলার মুদি দোকানদার মামুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, চিনির দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। আগের চিনি থাকায় যদিও আমরা এখনো দাম বাড়াইনি। ১০০ টাকা করে এখনও বিক্রি করছি। তবে নতুন চিনি আনলে সামনের থেকে দাম বাড়াতে বাড়াতে হবে।

টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ।

মুদি দোকানিরা জানান, চিনির দাম এখন পাইকারিতে বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না।  ৫০ কেজির বস্তার চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।

তবে, ডিম ও মুরগির বাজারে কোনও পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন ডিম ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, আর সোনালি জাতের মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৮০ টাকায়। অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। রায়সাহেব বাজারের গরু-খাসির মাংসের দোকান, ও মুরগির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গুরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসি ১২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে খাসির মাংস দোকান ভেদে কোথাও ১২৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও পরিবর্তন নেই মাছ বাজারের, বড় জাতের রুই মাছ কেজি প্রতি ৪০০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা হাইব্রিড কই মাছ ১৮০ থেকে ২০০ করে বিক্রি হচ্ছে। তবে বরাবরের মতো নাগালের বাইরে রয়েছে দেশি মাছের দাম। প্রতি কেজি দেশি শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকা করে। এছাড়াও দেশি কৈ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

মাছ বাজারে ঘুরতে থাকা তাঁতীবাজারের কয়েকজন ক্রেতা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সব মাছের দাম কম থাকলেও দেশি মাছে হাত দিতে পারছি না। এত দাম হলে সাধারণ মানুষ দেশি মাছ খেতে পারবে না।

রায়হান নামে বেসরকারি এক চাকরিজীবী জানান, সবসময় চাষের মাছ খেতে ভালো লাগে না। এ জন্য দেশি কৈ কিনতে চাইছিলাম। কিন্তু যে দাম দেখলাম তাতে অন্য বাজার বাদ দিয়ে শুধু কৈ মাছই কিনতে হবে। তাই পাঙাশ কিনেই বাসায় যাচ্ছি।

এখনও অপরিবর্তিত আছে নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদিপণ্যের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটার ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০-১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা, খোলা চিনি ৯৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৩০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১২০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এলাচ ৪ হাজার ৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ২৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১ হাজার ৩৫০ টাকা ও কালো গোল মরিচ ১ হাজার ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি প্যাকেট পোলাও চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাও চাল মানভেদে ৯০-১৩০ টাকা, ছোট মসুর ডাল ১৫৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন: মাটির নিচে অত্যাধুনিক বাংকার ও টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা

বেড়েছে চিনির দাম, কাঁচা মরিচ-শসায়ও অস্বস্তি

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

রমজানকে সামনে রেখে চিনির দাম বাড়ছে। দোকানভেদে বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়; যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা। এছাড়াও কাঁচা বাজারের শীতকালীন সবজিতে স্বস্তি থাকলেও কাঁচা মরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পুরান ঢাকার ধুপখোলা, নারিন্দা কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

কাঁচা মরিচ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে এখন ১২০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যা কেজি প্রতি ছিল ৮০ টাকায়। এছাড়াও ৫০ টাকার শসা এখন প্রতি কেজি ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।  

নারিন্দা কাঁচা বাজারের বিক্রেতা জাবেদ জানান, বেশি শীতে উৎপাদন কম হওয়ায় কাঁচা মরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। এছাড়াও রমজানের আগে দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। এ জন্য ও দাম বাড়তে পারে বলে জানান অনেক বিক্রেতা।

চিনি ও কাঁচা মরিচের দাম বাড়া নিয়ে সিরাজ নামে এক ক্রেতা জানান, শুধু চিনি, কাঁচা মরিচ না, রমজান আসতে আসতে দেখবেন সবকিছুর দাম বেড়ে যাবে। একমাত্র দেশ বাংলাদেশ, যেখানে রমজানের আগে দাম বেড়ে যায়।

তবে,সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজ ও শীতকালীন সবজির দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে কমই রয়েছে। কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অনেক সবজি। বাজার ও মানভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪৫ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি মূলা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। বেগুনের দাম কমে পাওয়া যাচ্ছে  ৪০-৬০ টাকায়। গত সপ্তাহের মতো মাঝারি আকারের ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়। শালগম ও পেঁপে কেজিপ্রতি ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ব্রোকলি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মৌসুমের বাইরে থাকা কিছু সবজির দাম ৭০-৮০ টাকা। পটোল, করলা ও ঢেঁড়স এই দামে মিলছে। একই দামে মিলছে টমেটো।

সবজি কিনতে থাকা তাঁতীবাজারের এক ক্রেতা জানান, শীতকালে সবজির দাম কম থাকে। বাজার করে শান্তি মেলে। এমন সারা বছর থাকলে ক্রেতাদের সুবিধা হতো।

ধুপখোলার মুদি দোকানদার মামুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, চিনির দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। আগের চিনি থাকায় যদিও আমরা এখনো দাম বাড়াইনি। ১০০ টাকা করে এখনও বিক্রি করছি। তবে নতুন চিনি আনলে সামনের থেকে দাম বাড়াতে বাড়াতে হবে।

টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ।

মুদি দোকানিরা জানান, চিনির দাম এখন পাইকারিতে বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না।  ৫০ কেজির বস্তার চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।

তবে, ডিম ও মুরগির বাজারে কোনও পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন ডিম ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, আর সোনালি জাতের মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৮০ টাকায়। অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। রায়সাহেব বাজারের গরু-খাসির মাংসের দোকান, ও মুরগির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গুরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসি ১২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে খাসির মাংস দোকান ভেদে কোথাও ১২৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও পরিবর্তন নেই মাছ বাজারের, বড় জাতের রুই মাছ কেজি প্রতি ৪০০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা হাইব্রিড কই মাছ ১৮০ থেকে ২০০ করে বিক্রি হচ্ছে। তবে বরাবরের মতো নাগালের বাইরে রয়েছে দেশি মাছের দাম। প্রতি কেজি দেশি শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকা করে। এছাড়াও দেশি কৈ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

মাছ বাজারে ঘুরতে থাকা তাঁতীবাজারের কয়েকজন ক্রেতা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সব মাছের দাম কম থাকলেও দেশি মাছে হাত দিতে পারছি না। এত দাম হলে সাধারণ মানুষ দেশি মাছ খেতে পারবে না।

রায়হান নামে বেসরকারি এক চাকরিজীবী জানান, সবসময় চাষের মাছ খেতে ভালো লাগে না। এ জন্য দেশি কৈ কিনতে চাইছিলাম। কিন্তু যে দাম দেখলাম তাতে অন্য বাজার বাদ দিয়ে শুধু কৈ মাছই কিনতে হবে। তাই পাঙাশ কিনেই বাসায় যাচ্ছি।

এখনও অপরিবর্তিত আছে নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদিপণ্যের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটার ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০-১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা, খোলা চিনি ৯৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৩০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১২০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এলাচ ৪ হাজার ৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ২৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১ হাজার ৩৫০ টাকা ও কালো গোল মরিচ ১ হাজার ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি প্যাকেট পোলাও চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাও চাল মানভেদে ৯০-১৩০ টাকা, ছোট মসুর ডাল ১৫৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।