ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

বছরের শেষেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক গতি, ডিসেম্বরে প্রবৃদ্ধি ২২ শতাংশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে শক্তিশালী ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৬৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৫৯ কোটি ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে।

ডিসেম্বরের শেষ দুই দিনেই (৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর) প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা মাস শেষে রেমিট্যান্সের গতি আরও জোরালো হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ফলে অর্থবছরের প্রথমার্ধে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ দশমিক ১ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা অব্যাহত থাকা, হুন্ডির দৌরাত্ম্য কমা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা ফেরার প্রভাবও রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠন, আমদানি ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

বছরের শেষেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক গতি, ডিসেম্বরে প্রবৃদ্ধি ২২ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৭:০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে শক্তিশালী ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৬৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৫৯ কোটি ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে।

ডিসেম্বরের শেষ দুই দিনেই (৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর) প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা মাস শেষে রেমিট্যান্সের গতি আরও জোরালো হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ফলে অর্থবছরের প্রথমার্ধে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ দশমিক ১ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা অব্যাহত থাকা, হুন্ডির দৌরাত্ম্য কমা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা ফেরার প্রভাবও রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠন, আমদানি ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।