ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাল নোট রাখার দায়ে শেরপুর পোস্ট অফিসের দুই কর্মী গ্রেফতার

শেরপুর পোস্ট অফিসে জাল নোট পাওয়ার ঘটনায় পোস্ট অফিসের দুই কর্মচারীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন ক্যাশিয়ার মানিক মিয়া ও ট্রেজারার হাফিজুর রহমান।

রোববার (১৯ অক্টোবর) সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবাইদুল আলম দুজনের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্দেহের তালিকায় আরও কয়েকজন রয়েছেন। মানিক মিয়াকে ১৬ অক্টোবর এবং হাফিজুর রহমানকে শনিবার (১৮ অক্টোবর) গ্রেফতার করা হয়।

ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর শেরপুর সদর উপজেলার গনইমমিনাকান্দা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব নিরক্ষর নারী শাহিনা বেগম উত্তরা ব্যাংকে দুই লাখ ৬৯ হাজার টাকা জমা দিতে যান। উত্তরা ব্যাংকের ক্যাশিয়ার টাকা গুনে নেওয়ার সময় দেখতে পান, ওই টাকার মধ্যে ৫৩টি এক হাজার টাকার নোট জাল। এর আগে, ৯ অক্টোবর দুপুরের পর শেরপুর সোনালী ব্যাংকে নুহু নামের এক ব্যক্তি সরকারি চালানের দুই লাখ ৪৩ হাজার টাকা জমা দিতে গেলে সেখানেও ২৫টি এক হাজার টাকার নোট জাল ধরা পড়ে।

ভুক্তভোগী এই দুই গ্রাহকই জানান, তারা শেরপুর পোস্ট অফিস থেকে টাকাগুলো উত্তোলন করেছিলেন। এরপর থেকে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন, পোস্ট অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ নড়েচড়ে বসে। বর্তমানে সরকারের অন্তত তিনটি বিভাগ জাল টাকার বিষয়ে তদন্ত করছে।

কোর্ট ইন্সপেক্টর জিয়া বলেন, ‘মানিক মিয়া ও হাফিজুর রহমানকে আজ আদালতে তোলা হয়। হাফিজুর রহমান জাল টাকার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। মানিক মিয়াকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।’

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনগরে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধ: ছুরিকাঘাতে হিফজ বিভাগের ছাত্র নিহত

জাল নোট রাখার দায়ে শেরপুর পোস্ট অফিসের দুই কর্মী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১০:০৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

শেরপুর পোস্ট অফিসে জাল নোট পাওয়ার ঘটনায় পোস্ট অফিসের দুই কর্মচারীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন ক্যাশিয়ার মানিক মিয়া ও ট্রেজারার হাফিজুর রহমান।

রোববার (১৯ অক্টোবর) সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবাইদুল আলম দুজনের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্দেহের তালিকায় আরও কয়েকজন রয়েছেন। মানিক মিয়াকে ১৬ অক্টোবর এবং হাফিজুর রহমানকে শনিবার (১৮ অক্টোবর) গ্রেফতার করা হয়।

ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর শেরপুর সদর উপজেলার গনইমমিনাকান্দা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব নিরক্ষর নারী শাহিনা বেগম উত্তরা ব্যাংকে দুই লাখ ৬৯ হাজার টাকা জমা দিতে যান। উত্তরা ব্যাংকের ক্যাশিয়ার টাকা গুনে নেওয়ার সময় দেখতে পান, ওই টাকার মধ্যে ৫৩টি এক হাজার টাকার নোট জাল। এর আগে, ৯ অক্টোবর দুপুরের পর শেরপুর সোনালী ব্যাংকে নুহু নামের এক ব্যক্তি সরকারি চালানের দুই লাখ ৪৩ হাজার টাকা জমা দিতে গেলে সেখানেও ২৫টি এক হাজার টাকার নোট জাল ধরা পড়ে।

ভুক্তভোগী এই দুই গ্রাহকই জানান, তারা শেরপুর পোস্ট অফিস থেকে টাকাগুলো উত্তোলন করেছিলেন। এরপর থেকে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন, পোস্ট অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ নড়েচড়ে বসে। বর্তমানে সরকারের অন্তত তিনটি বিভাগ জাল টাকার বিষয়ে তদন্ত করছে।

কোর্ট ইন্সপেক্টর জিয়া বলেন, ‘মানিক মিয়া ও হাফিজুর রহমানকে আজ আদালতে তোলা হয়। হাফিজুর রহমান জাল টাকার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। মানিক মিয়াকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।’