স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও হবিগঞ্জ এবং কুষ্টিয়ার বেশ কিছু মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ‘বধ্যভূমি’ অযত্ন ও অবহেলার শিকার হচ্ছে। সংরক্ষণের অভাবে এসব স্মৃতিস্তম্ভের রঙ উঠে গেছে এবং যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। শহিদ পরিবারের সদস্যরা দ্রুত এসব রক্তস্মৃতি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশনের পাশে অবস্থিত বধ্যভূমিটি লাল-সবুজ রঙের কয়েকটি পিলার ও সাইনবোর্ড নিয়ে অযত্নে পড়ে আছে। বধ্যভূমি ঘেঁষে অটোরিকশা স্ট্যান্ড এবং ভেতরেই পার্কিং করা হচ্ছে। এছাড়া বাহুবলের ফয়জাবাদ বধ্যভূমিতে স্মৃতিস্তম্ভ করা হলেও তা সারা বছরই অরক্ষিত থাকে। হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক এসব বধ্যভূমি পুনরুদ্ধার করে সুন্দরভাবে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন আশ্বাস দিয়েছেন যে, জেলায় কতগুলো গণকবর রয়েছে তার সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত সংরক্ষণ ও মনুমেন্ট স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, কুষ্টিয়া সদরের বিত্তিপাড়া বাজারের পাশে সবচেয়ে বড় বধ্যভূমির অবস্থাও বেহাল। স্মৃতিস্তম্ভের রঙ উঠে গেছে এবং যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। এছাড়া দূর্বাচাঁরা এলাকার রক্তঋণ স্মৃতিসৌধটিও তার অস্তিত্ব হারাচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাতে এই জায়গাটি মাদকের আড্ডায় পরিণত হয়। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, দ্রুতই যুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বীর শহিদদের রক্তস্মৃতি ধরে রাখা বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের।
রিপোর্টারের নাম 
























