ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

তীব্র গরমে পুড়ছে লালপুর, তাপমাত্রা রেকর্ড ৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

বৈশাখ মাসের শুরুতেই তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল হয়ে পড়েছে নাটোরের লালপুর উপজেলার জনজীবন। বুধবার বিকেলে এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা বর্তমান মৌসুমের সর্বোচ্চ। বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গরমের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

তীব্র রোদ ও ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক ও কৃষিশ্রমিকরা। জীবিকার তাগিদে প্রখর রোদ উপেক্ষা করেই তাদের কর্মস্থলে থাকতে হচ্ছে। দুপুরের পর থেকে রাস্তাঘাট ও হাট-বাজারে মানুষের উপস্থিতি লক্ষণীয়ভাবে কমে যাচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এলাকায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং বর্তমান পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তাপমাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃষ্টির দেখা না মেলায় ফসলি জমির ওপরও এই খরার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের সময় বাঁচাতে প্রতিটি উপজেলায় হচ্ছে আধুনিক পরীক্ষা কেন্দ্র

তীব্র গরমে পুড়ছে লালপুর, তাপমাত্রা রেকর্ড ৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বৈশাখ মাসের শুরুতেই তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল হয়ে পড়েছে নাটোরের লালপুর উপজেলার জনজীবন। বুধবার বিকেলে এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা বর্তমান মৌসুমের সর্বোচ্চ। বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গরমের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

তীব্র রোদ ও ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক ও কৃষিশ্রমিকরা। জীবিকার তাগিদে প্রখর রোদ উপেক্ষা করেই তাদের কর্মস্থলে থাকতে হচ্ছে। দুপুরের পর থেকে রাস্তাঘাট ও হাট-বাজারে মানুষের উপস্থিতি লক্ষণীয়ভাবে কমে যাচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এলাকায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং বর্তমান পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তাপমাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃষ্টির দেখা না মেলায় ফসলি জমির ওপরও এই খরার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।