ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

মহানবী (সা.)-কে অবমাননার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন পাসের দাবি সংসদে

জাতীয় সংসদে মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাসের দাবি জানানো হয়েছে। বুধবার সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য (মাদারীপুর-১) সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা এই দাবি উত্থাপন করেন। একই সাথে যারা শেষ নবীকে বিশ্বাস করে না, তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করার জন্যও তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তব্যকালে সংসদ সদস্য হানজালা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের লাখ লাখ ওলামায়ে কেরাম ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ এই দাবির পক্ষে রয়েছেন। তিনি পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শন ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশে একটি বিশেষ গোষ্ঠী নবী (সা.)-এর শেষ নবী হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করার পরও নিজেদের মুসলমান দাবি করছে, যা সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হানছে। এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং নবী অবমাননা রোধে কঠোর আইনের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে নবী অবমাননার প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেককে রাজপথে জীবন দিতে হয়েছে এবং স্বাধীনতার পর থেকে এই আন্দোলন চলমান রয়েছে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আবেগ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় যারা মহানবী (সা.)-কে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য বা কটূক্তি করে, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করা এখন সময়ের দাবি। তিনি বিশ্বাস করেন, এই আইন পাসের মাধ্যমে সংসদে এক অনন্য ইতিহাস রচিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতায় তেহরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

মহানবী (সা.)-কে অবমাননার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন পাসের দাবি সংসদে

আপডেট সময় : ১০:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাসের দাবি জানানো হয়েছে। বুধবার সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য (মাদারীপুর-১) সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা এই দাবি উত্থাপন করেন। একই সাথে যারা শেষ নবীকে বিশ্বাস করে না, তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করার জন্যও তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তব্যকালে সংসদ সদস্য হানজালা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের লাখ লাখ ওলামায়ে কেরাম ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ এই দাবির পক্ষে রয়েছেন। তিনি পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শন ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশে একটি বিশেষ গোষ্ঠী নবী (সা.)-এর শেষ নবী হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করার পরও নিজেদের মুসলমান দাবি করছে, যা সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হানছে। এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং নবী অবমাননা রোধে কঠোর আইনের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে নবী অবমাননার প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেককে রাজপথে জীবন দিতে হয়েছে এবং স্বাধীনতার পর থেকে এই আন্দোলন চলমান রয়েছে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আবেগ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় যারা মহানবী (সা.)-কে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য বা কটূক্তি করে, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করা এখন সময়ের দাবি। তিনি বিশ্বাস করেন, এই আইন পাসের মাধ্যমে সংসদে এক অনন্য ইতিহাস রচিত হবে।