ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কমছে না পেঁয়াজের দাম, স্বস্তি ফেরেনি সবজিতেও

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

শীতের সবজি বাজারে এসেছে বেশ আগেই। নতুন পেঁয়াজও আসতে শুরু করেছে। তবে দামে এর প্রভাব পড়েনি বললেই চলে। এখনও পুরাতন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে। সবজির বাজারেও স্বস্তি ফেরেনি।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের কাঁচাবাজার সরেজমিনে ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। 

পেঁয়াজের দাম এখনও বেশি

বাজারে নতুন পেঁয়াজ চলে এলেও এখনও বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের পুরাতন পেঁয়াজ। 

আজ আকার ও মানভেদে পুরোনো ক্রস জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়। এর মধ্যে ছোট পেঁয়াজ ১৪০ টাকা ও বড় সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা করে। মানভেদে নতুন ক্রস জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকা করে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে। নতুন আলু ৪০ টাকা, পুরাতন লাল আলু ২৫ টাকা, সাদা আলু ২৫ টাকা, বগুড়ার আলু ৩৫ টাকা, দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা, চায়না রসুন ১৭০-১৮০ টাকা, চায়না আদা ১৮০-২০০ টাকা, ভারতীয় আদা মান ভেদে ১৫০-১৬০ দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমেছে ১০ টাকা করে। নতুন আলুর দাম কমেছে ৩০-৪০ টাকা, বগুড়ার আলুর দাম কমেছে পাঁচ টাকা। এছাড়া অন্যান্য পণ্যের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত। 

এদিকে পেঁয়াজের দাম প্রসঙ্গে বিক্রেতা আবু তালেব বলেন, পেঁয়াজের দাম কমছে। আরও কমে যাবে। তবে যেভাবে এক ধাক্কায় অনেক বেড়েছে সেভাবে এক ধাক্কায় অনেক কমে যাবে না। দাম কমার বেলায় একটি ধীরেই কমে। কারণ দাম বাড়া শুরু করলে খুচরা বিক্রেতারা বেশি করে কিনে রাখেন। তারপর হঠাৎ দাম কমে গেলে তারা আগে তাদের স্টকেরগুলো বিক্রি করেন, যেগুলো বেশি দামে কিনেছে। তারপর কম দামে কেনাগুলো বিক্রি শুরু করেন। এই কারণেই দাম কমার বেলায় আস্তে-ধীরে কমে।

স্বস্তি ফেরেনি সবজির বাজারে

ঊর্ধমুখী সবজির বাজারে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। কিছু কিছু সবজির দাম কমলেও বাজারে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির সুবাতাস আসেনি। এখনও সবজির দাম ঊর্ধমুখী। 

আজ বাজারে প্রতি কেজি দেশি টমেটো ১২০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৬০ টাকা, দেশি গাজর ৬০ টাকা, চায়না গাজর ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৭০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৬০-৭০ টাকা, কালো গোল বেগুন ৮০-১০০ টাকা, শিম (প্রকারভেদে) ৬০-১২০ টাকা, শালগম ৫০ টাকা, পেঁয়াজ পাতা ৬০ টাকা, পেঁয়াজ কলি ৮০ টাকা, দেশি শসা ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১০০ টাকা, পটল (হাইব্রিড) ৮০ টাকা, দেশি পটল ১২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ধুন্দল ৮০-১০০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, মূলা ৫৫০ টাকা, কচুরমুখী ৭০-৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০-১২০ টাকা, ধনেপাতা (মানভেদে) ১০০-১২০ টাকা, শসা (হাইব্রিড) ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা করে  বিক্রি হচ্ছে। আর মানভেদে প্রতিটি লাউ ৬০-১০০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০-৫০ টাকা, ব্রকলি ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকা। এছাড়া, প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ২০-৪০ টাকা করে।

সবজির দাম নিয়ে বিক্রেতা মো. শাহ আলম বলেন, সবজির দাম এখন পড়ন্ত (কমে যাচ্ছে)। সামনে আরও কমে যাবে। এখন সবজিরই সিজন, দামতো কমবেই। তবে এখন যেসব সবজির সিজন নাই সেগুলোর দাম একটু বেশি থাকবেই।

মাছের দাম চড়ামাছের দাম চড়া

বাড়ছে মুরগির মাংসের দাম

আজ বাজারে বয়লার ও কক মুরগির দাম বাড়তে শুরু করছে। শীত আসছে অনুষ্ঠান বাড়বে, থার্টি-ফাস্ট নাইট আসবে…এসব কারণে দাম বাড়তে পারে আগেই বলেছিল বিক্রেতারা। মূলত সেভাবেই দাম বাড়তে শুরু করেছে।

আজ বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকা কেজি দরে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকা কেজিতে। বয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা, কক মুরগি ২৪০-২৬০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৭৩-২৮৫ টাকা, দেশি মুরগি ৫৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি ডজন মুরগির লাল ডিম ১১০ টাকা এবং সাদা ডিম ১০০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেখা গেছে, আজ প্রতি কেজিতে বয়লার মুরগির দাম বেড়েছে পাঁচ থেকে সাত টাকা, কক মুরগির দাম বেড়েছে ২-১০ টাকা। তবে লেয়ার মুরগির দাম কমেছে ৫-১৫ টাকা। এছাড়া অন্যান্য মাংস ও ডিমের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত। 

আল-আমিন চিকেন হাউজের বিক্রেতা বলেন, শীত এলে অনেক প্রোগ্রাম হয়। বিয়ে, পিকনিক, আবার থার্টি-ফাস্ট নাইট; এ সময় মুরগির চাহিদা বেড়ে যায়। তাই দাম বাড়তি থাকে। আবার অনেক সময় খামারিরা মুরগি উঠায় না শীতে মরে যাওয়ার ভয়ে। তাই দাম বেড়ে যায়। এখন যদি তারা মুরগি উঠায় তাহলে দাম কমই থাকতে পারে আশা করা যায়।

এছাড়া আজ বাজারে আকার ও ওজন অনুযায়ী ইলিশ মাছ ৮০০-৩০০০ টাকা, রুই মাছ ৪০০-৬০০ টাকা, কাতল মাছ ৩৫০-৫৫০ টাকা, কালিবাউশ ৪০০-৮০০ টাকা, চিংড়ি মাছ ৭০০-১৪০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, কৈ মাছ ২৫০-১২০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪৪০০-৬০০ টাকা, শিং মাছ ৪০০-১৪০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০-১২০০ টাকা, বেলে মাছ ১০০০-১২০০ টাকা, মেনি মাছ ৬০০-৮০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৬০০-১২০০ টাকা, রূপচাঁদা মাছ ১০০০-১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাড়ছে মুরগির দামবাড়ছে মুরগির দাম

পরিবর্তন নেই মুদি পণ্যের দামে

মুদি দোকানের পণ্যের দামে আজও কোনও পরিবর্তন আসেনি। কেবল আটার দুই কেজির প্যাকেটের দাম কমেছে ১০ টাকা। এছাড়া অন্যান্য পণ্যের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত।

আজ প্রতি কেজি প্যাকেট পোলাওয়ের চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাওয়ের চাল মান ভেদে ৯০-১৩০ টাকা, ছোট মসুর ডাল ১৫৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেশারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাশকালাইয়ের ডাল ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০-১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা, খোলা চিনি ৯৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৩০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১২০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এলাচি ৪৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১২৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১৩৫০ টাকা ও কালো গোল মরিচ ১১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে মার্কিনদের সমর্থন হ্রাস: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও তলানিতে

কমছে না পেঁয়াজের দাম, স্বস্তি ফেরেনি সবজিতেও

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

শীতের সবজি বাজারে এসেছে বেশ আগেই। নতুন পেঁয়াজও আসতে শুরু করেছে। তবে দামে এর প্রভাব পড়েনি বললেই চলে। এখনও পুরাতন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে। সবজির বাজারেও স্বস্তি ফেরেনি।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের কাঁচাবাজার সরেজমিনে ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। 

পেঁয়াজের দাম এখনও বেশি

বাজারে নতুন পেঁয়াজ চলে এলেও এখনও বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের পুরাতন পেঁয়াজ। 

আজ আকার ও মানভেদে পুরোনো ক্রস জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়। এর মধ্যে ছোট পেঁয়াজ ১৪০ টাকা ও বড় সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা করে। মানভেদে নতুন ক্রস জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকা করে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে। নতুন আলু ৪০ টাকা, পুরাতন লাল আলু ২৫ টাকা, সাদা আলু ২৫ টাকা, বগুড়ার আলু ৩৫ টাকা, দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা, চায়না রসুন ১৭০-১৮০ টাকা, চায়না আদা ১৮০-২০০ টাকা, ভারতীয় আদা মান ভেদে ১৫০-১৬০ দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমেছে ১০ টাকা করে। নতুন আলুর দাম কমেছে ৩০-৪০ টাকা, বগুড়ার আলুর দাম কমেছে পাঁচ টাকা। এছাড়া অন্যান্য পণ্যের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত। 

এদিকে পেঁয়াজের দাম প্রসঙ্গে বিক্রেতা আবু তালেব বলেন, পেঁয়াজের দাম কমছে। আরও কমে যাবে। তবে যেভাবে এক ধাক্কায় অনেক বেড়েছে সেভাবে এক ধাক্কায় অনেক কমে যাবে না। দাম কমার বেলায় একটি ধীরেই কমে। কারণ দাম বাড়া শুরু করলে খুচরা বিক্রেতারা বেশি করে কিনে রাখেন। তারপর হঠাৎ দাম কমে গেলে তারা আগে তাদের স্টকেরগুলো বিক্রি করেন, যেগুলো বেশি দামে কিনেছে। তারপর কম দামে কেনাগুলো বিক্রি শুরু করেন। এই কারণেই দাম কমার বেলায় আস্তে-ধীরে কমে।

স্বস্তি ফেরেনি সবজির বাজারে

ঊর্ধমুখী সবজির বাজারে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। কিছু কিছু সবজির দাম কমলেও বাজারে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির সুবাতাস আসেনি। এখনও সবজির দাম ঊর্ধমুখী। 

আজ বাজারে প্রতি কেজি দেশি টমেটো ১২০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৬০ টাকা, দেশি গাজর ৬০ টাকা, চায়না গাজর ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৭০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৬০-৭০ টাকা, কালো গোল বেগুন ৮০-১০০ টাকা, শিম (প্রকারভেদে) ৬০-১২০ টাকা, শালগম ৫০ টাকা, পেঁয়াজ পাতা ৬০ টাকা, পেঁয়াজ কলি ৮০ টাকা, দেশি শসা ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১০০ টাকা, পটল (হাইব্রিড) ৮০ টাকা, দেশি পটল ১২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ধুন্দল ৮০-১০০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, মূলা ৫৫০ টাকা, কচুরমুখী ৭০-৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০-১২০ টাকা, ধনেপাতা (মানভেদে) ১০০-১২০ টাকা, শসা (হাইব্রিড) ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা করে  বিক্রি হচ্ছে। আর মানভেদে প্রতিটি লাউ ৬০-১০০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০-৫০ টাকা, ব্রকলি ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকা। এছাড়া, প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ২০-৪০ টাকা করে।

সবজির দাম নিয়ে বিক্রেতা মো. শাহ আলম বলেন, সবজির দাম এখন পড়ন্ত (কমে যাচ্ছে)। সামনে আরও কমে যাবে। এখন সবজিরই সিজন, দামতো কমবেই। তবে এখন যেসব সবজির সিজন নাই সেগুলোর দাম একটু বেশি থাকবেই।

মাছের দাম চড়ামাছের দাম চড়া

বাড়ছে মুরগির মাংসের দাম

আজ বাজারে বয়লার ও কক মুরগির দাম বাড়তে শুরু করছে। শীত আসছে অনুষ্ঠান বাড়বে, থার্টি-ফাস্ট নাইট আসবে…এসব কারণে দাম বাড়তে পারে আগেই বলেছিল বিক্রেতারা। মূলত সেভাবেই দাম বাড়তে শুরু করেছে।

আজ বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকা কেজি দরে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকা কেজিতে। বয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা, কক মুরগি ২৪০-২৬০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৭৩-২৮৫ টাকা, দেশি মুরগি ৫৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি ডজন মুরগির লাল ডিম ১১০ টাকা এবং সাদা ডিম ১০০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেখা গেছে, আজ প্রতি কেজিতে বয়লার মুরগির দাম বেড়েছে পাঁচ থেকে সাত টাকা, কক মুরগির দাম বেড়েছে ২-১০ টাকা। তবে লেয়ার মুরগির দাম কমেছে ৫-১৫ টাকা। এছাড়া অন্যান্য মাংস ও ডিমের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত। 

আল-আমিন চিকেন হাউজের বিক্রেতা বলেন, শীত এলে অনেক প্রোগ্রাম হয়। বিয়ে, পিকনিক, আবার থার্টি-ফাস্ট নাইট; এ সময় মুরগির চাহিদা বেড়ে যায়। তাই দাম বাড়তি থাকে। আবার অনেক সময় খামারিরা মুরগি উঠায় না শীতে মরে যাওয়ার ভয়ে। তাই দাম বেড়ে যায়। এখন যদি তারা মুরগি উঠায় তাহলে দাম কমই থাকতে পারে আশা করা যায়।

এছাড়া আজ বাজারে আকার ও ওজন অনুযায়ী ইলিশ মাছ ৮০০-৩০০০ টাকা, রুই মাছ ৪০০-৬০০ টাকা, কাতল মাছ ৩৫০-৫৫০ টাকা, কালিবাউশ ৪০০-৮০০ টাকা, চিংড়ি মাছ ৭০০-১৪০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, কৈ মাছ ২৫০-১২০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪৪০০-৬০০ টাকা, শিং মাছ ৪০০-১৪০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০-১২০০ টাকা, বেলে মাছ ১০০০-১২০০ টাকা, মেনি মাছ ৬০০-৮০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৬০০-১২০০ টাকা, রূপচাঁদা মাছ ১০০০-১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাড়ছে মুরগির দামবাড়ছে মুরগির দাম

পরিবর্তন নেই মুদি পণ্যের দামে

মুদি দোকানের পণ্যের দামে আজও কোনও পরিবর্তন আসেনি। কেবল আটার দুই কেজির প্যাকেটের দাম কমেছে ১০ টাকা। এছাড়া অন্যান্য পণ্যের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত।

আজ প্রতি কেজি প্যাকেট পোলাওয়ের চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাওয়ের চাল মান ভেদে ৯০-১৩০ টাকা, ছোট মসুর ডাল ১৫৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেশারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাশকালাইয়ের ডাল ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০-১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা, খোলা চিনি ৯৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৩০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১২০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এলাচি ৪৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১২৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১৩৫০ টাকা ও কালো গোল মরিচ ১১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।