রাজধানীর আশুলিয়ায় গণবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামালায় প্রধান আসামি দেলোয়ারকে এক দিনের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) চার আসামিকে আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার ইনস্পেকটর শফিকুল ইসলাম সুমন। ওইদিন আসামি তাজুল ইসলাম তাজ (২৬) ও শ্রাবণ সাহাকে (২৩) তিন দিনের এবং অন্তু দেওয়ানকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। তবে প্রধান আসামি প্রথমে জবানবন্দি দেওয়ার কথা বলে পরে অস্বীকার করায় তার রিমান্ড আবেদন স্থগিত রাখেন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত। পরে আজ তাকে ভিন্ন আদালত থেকে একদিনের জেলগেট জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এইচ কৃষ্ণ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ২ ডিসেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে চার জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন ওই শিক্ষার্থী। পরের দিন বিকালে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের একটি মেসে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারে সূত্রে, গত ৭ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে পিকনিকের কথা বলে বাদীকে তার সহপাঠী দেলোয়ার, তাজুল ইসলাম ও শ্রাবণ সাহা আশুলিয়ার ফুলেরটেক এলাকায় নিয়ে যান। যাওয়ার পথে কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানো হয়। এতে ভুক্তভোগী জ্ঞান হারান। বিকালে জ্ঞান ফেরার পর তিনি নিজেকে ফুলের টেক এলাকায় দেলোয়ার, তাজুল ইসলাম ও শ্রাবণ সাহার মেসে দেখতে পান এবং ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে বুঝতে পারেন। পরে ভুক্তভোগী জানতে পারেন আসামিরা মুঠোফোনে ধর্ষণের সময়ের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেছে। বিষয়টি কাউকে জানালে বা আইনগত পদক্ষেপ নিলে মুঠোফোনে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায় তারা। এমনকি অ্যাসিড দিয়ে তার মুখ ঝলসে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে আসামিরা ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে কয়েক দফায় ৯৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।
রিপোর্টারের নাম 






















