তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো প্রচারসামগ্রী (পোস্টার, ব্যানার) না সরালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। না হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ১০তম কমিশন সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রচারসামগ্রী অপসারণের ব্যাপারে… আমরা যেদিন তফসিল ঘোষণা করবো তারপর ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়ে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা যা রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে করেছে এবং ঝুলিয়েছে এগুলো সরাতে হবে। না সরালে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে নির্বাচনি আচরণ বিধির আওতায়।
পোস্টার নিয়ে ইসি কী পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশ্নে তিনি বলেন, যেদিন তফসিল ঘোষণা করবো সেদিন থেকে আমাদের কার্যকরী ভূমিকা আপনারা দেখতে পাবেন। তফসিল ঘোষণার পর পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। আমরা ৪৮ ঘণ্টা সময় দেবো রাজনৈতিক দলগুলোকে সবকিছু সরানোর জন্য। তারপরও যদি না সরানো হয় আচরণবিধির আওতায় যা যা করা দরকার তাই করা হবে।
এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আচরণবিধি প্রতিপালন এবং নিশ্চিতকরণে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রাথমিকভাবে তফসিল ঘোষণার পরের দিন থেকেই প্রত্যেক উপজেলা বা থানায় দুজন করে ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন। এই সংখ্যাটা শেষ পাঁচ দিনে— অর্থাৎ নির্বাচনের আগের তিন দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরের দিন এটা বেড়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি এলাকায় সব ধরনের অনুদান ত্রাণ ইত্যাদি বিতরণ সম্পর্কে যে নিষেধাজ্ঞা সে সংক্রান্ত পরিপত্র যথাসময় জারি করা হবে। তবে এতে সোশ্যাল সেফটি নেটওয়ার্ক যেটা আছে যেখানে অনেকে বয়স্ক ভাতা ইত্যাদি পেয়ে থাকেন এগুলোর ওপরে কোনও ধরনের বাধা নিষেধ থাকবে না।
বিভিন্ন ধরনের পরিপত্র যেগুলো জারি করা হয় সেগুলো আজ প্রাথমিকভাবে দেখা হয়েছে। এগুলো রুটিন অনুযায়ী জারি হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।
রিপোর্টারের নাম 

























