আগামী বছরের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ১১২ বিলিয়ন শ্যাকেল বা ৩৪ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করতে চাইছে ইসরায়েল। আগের খসড়া বাজেটে এই বরাদ্দ ছিল ৯০ বিলিয়ন শ্যাকেল।
ক্যাবিনেট সভায় ২০২৬ সালের বাজেট আলোচনায় এই ব্যয় কাঠামোয় একমত হয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ। আগামী মার্চের মধ্যে বাজেট পাস না হলে নতুন নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
স্মোটরিচের কার্যালয় জানায়, ২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর আগের বাজেটের তুলনায় ২০২৬ সালের প্রতিরক্ষা বাজেট ৪৭ বিলিয়ন শ্যাকেল বেশি।
তিনি বলেন, আমরা সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে বড় বাজেট বরাদ্দ করছি, তবে একই সঙ্গে এমন কাঠামো তৈরি করছি যা ইসরায়েলকে পুনরায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরিয়ে আনবে এবং নাগরিকদের ওপর চাপ কমাবে।
মন্ত্রীদের বৈঠক বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে, যা সাধারণত দীর্ঘসময় ধরে চলে। ভোট শুক্রবার ভোরে হতে পারে। এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে তা প্রাথমিক ভোটের জন্য পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হবে।
কাতজ বলেন, সেনাবাহিনী তার সদস্যের প্রয়োজন মেটানো এবং রিজার্ভ সদস্যদের ওপর চাপ কমানোর কাজ চালিয়ে যাবে। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা আইডিএফকে আরও শক্তিশালী করতে এবং যোদ্ধাদের প্রয়োজন পূরণে দৃঢ়ভাবে পদক্ষেপ নেব, যেন ইসরায়েলের সব সীমানায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলের বহু অর্থব্যয় হয়েছে। ২০২৪ সালে হামাস ও লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে দেশটি প্রায় ৩১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। পরে ইসরায়েল উভয় গোষ্ঠীর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায়।
সূত্র: রয়টার্স
রিপোর্টারের নাম 
























