ঢাকা ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ব্র্যাকের কার্নিভাল অব চেঞ্জে সামাজিক উদ্যোগ তুলে ধরলেন তরুণ উদ্যোক্তারা

দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের সামাজিক উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনের প্রদর্শন, মতবিনিময়, আলোচনা ও কর্মশালার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দুদিনের ‘কার্নিভাল অব চেঞ্জ ২০২৫’। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ২৫০ জনের বেশি তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণে গত ২৯ ও ৩০ নভেম্বর সাভারে ব্র্যাক সিডিএম প্রাঙ্গণে বসেছিল তারুণ্যের এই মিলনমেলা। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আয়োজনে ব্র্যাকের ওয়াটার, স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন, ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট, আল্ট্রা পুওর গ্র্যাজুয়েশন কর্মসূচির ঊর্ধ্বতন পরিচালক হোসেন ইশরাত আদিব তরুণদের উদ্দেশে বলেন, সব সমস্যার সমাধানকে যখন আমরা একটি নির্দিষ্ট ছকে ফেলার চেষ্টা করি, তখনই সেটা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। প্রথাগত পুঁথিগত শিক্ষাগুলো ভুলে গিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকেই স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। ব্র্যাকের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হলো, স্থানীয় জনগোষ্ঠী। ব্র্যাক এখনও তাদের কাছ থেকেই শিখছে এবং এগুলো কাজে লাগিয়েই তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছে।

প্যানেল আলোচনায় লেখক ও গবেষক আফসান চৌধুরী বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি বড় জনযুদ্ধ। আর এটা সম্ভব হয়েছে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের কারণে।

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্যার ফজলে হাসান আবেদের মতো মানুষ সমাজে বিরল। মুক্তিযুদ্ধের জন্য তিনি দেশের বাইরে থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং ব্লাস্টের নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন এ সময় তরুণদের উদ্দেশে বলেন, সমাজের নানা অসঙ্গতি নিয়ে তরুণদের কথা বলা প্রয়োজন। তরুণরা প্রয়োজনে এসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক করবে, আলোচনা করবে, সোচ্চার হবে।

ট্রায়াথলিট ও আয়রনম্যান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত, ট্রাভেলেটস অব বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ডা. মানসী সাহা এবং জুলাই ছাত্র আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী কাজী আব্দুল্লাহ তরুণদের উদ্দেশে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ব্যক্তিগত সুস্থতা-বিষয়ক একটি পর্ব পরিচালনা করেন ব্র্যাকের লার্নিং অ্যান্ড লিডারশিপ ডেভেলপমেন্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মিফতাহ জামান। সাউথ এশিয়ান গেমসে ভারোত্তোলনে স্বর্ণপদক বিজয়ী মাবিয়া আক্তার নিজের জীবনের গল্প তুলে ধরেন ‘ইমপ্যাক্ট টক: ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প’ পর্বে।

ক্যারিয়ার গাইডেন্স শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন রবি আজিয়াটার মহাব্যবস্থাপক শাম্মা তাসনিম, বিকাশের ভাইস প্রেসিডেন্ট রেজাউর রহমান নাফিজ এবং ব্র্যাকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক নাজিবুল ইসলাম সরকার। আমরা নতুন নেটওয়ার্কের তাসমিম হোসেন তুবা এই পর্বটি সঞ্চালনা করেন।

দীপ্তি চৌধুরীর সঞ্চালনায় ‘অচেনা পথে চলা’ (পাথস লেস টেকেন) শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ফুটস্টেপস বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট শাহ রফায়াত চৌধুরী, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর অথৈ দাস তিন্নি, কার্টুন পিপলের প্রতিষ্ঠাতা রাশাদ ইমাম তন্ময়, লার্নিং বাংলাদেশের প্রশিক্ষক সাব্বির আহমেদ এবং পেইন্ট ইওর থটসের প্রতিষ্ঠাতা পুষ্পিতা চৌধুরী।

পিটাছড়া ফরেস্ট অ্যান্ড বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন ইনিশিয়েটিভের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মাহফুজ রাসেল জানান ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। আলোচনার মাধ্যমে শেখা এবং তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে ‘আমরা নতুন আড্ডা’ পর্বের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে ছিল ‘বাধা পেরিয়ে শেখা’, ‘লেটস এয়ার ইট আউট’, ‘ফ্যাক্ট অর ফেক’, ‘হিল অ্যান্ড চিল’, ‘আনলার্নিং পিংক অ্যান্ড ব্লু’, ‘হ্যান্ডস অন ক্লাইমেট’, ‘ক্লিক টু থ্রাইভ’ এবং ‘সবার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা’ বিষয়ে আলোচনা। সবশেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ব্র্যাক ইউথ প্ল্যাটফরমের সিনিয়র ম্যানেজার দিতিপ্রিয়া রায়।

এই আয়োজনের প্রথম দিন শনিবার তরুণদের উদ্ভাবন ও উদ্যোগগুলোর মধ্যে চূড়ান্ত পর্বে ১২টিকে মেনোনিত করা হয়। সৃজনশীলতা, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় স্বীকৃতি পায় তিনটি উদ্যোগ। এর মধ্যে রয়েছে, প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অডিওবুক ‘স্টোরিজ অব ইনক্লুশন’, নারিকেলের খোসা থেকে পরিবেশবান্ধব চারকোল উৎপাদনের প্রকল্প ‘জলশিখা’ এবং শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক খেলনা তৈরির প্রকল্প ‘গুড্ডু টয়েজ’। প্রথমবারের মতো চেঞ্জমেকার অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীরা পাচ্ছেন ব্র্যাকের সোশ্যাল এন্টারপ্রেনার্স ফেলোশিপ।

ব্র্যাকের আমরা নতুন নেটওয়ার্ক (এএনএন) কাজ করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে। প্রশিক্ষণ, পরামর্শ এবং নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উপযোগী করে গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য। দেশের ১৭টি জেলায় বিস্তৃত এএনএন উদ্যোগের মাধ্যমে ২ হাজার ৬০০ জনের বেশি তরুণ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এই তরুণ চেঞ্জমেকার্সদের মধ্যে অনেকে পেয়েছেন গেটস ফাউন্ডেশন, নাসা ও জাতিসংঘ থেকে নানা পুরস্কার ও সম্মাননা। ‘আমরা নতুন নেটওয়ার্কের’ অ্যালামনাইরা এখনও যুক্ত আছেন এই প্ল্যাটফর্মে।=

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্র্যাকের কার্নিভাল অব চেঞ্জে সামাজিক উদ্যোগ তুলে ধরলেন তরুণ উদ্যোক্তারা

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের সামাজিক উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনের প্রদর্শন, মতবিনিময়, আলোচনা ও কর্মশালার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দুদিনের ‘কার্নিভাল অব চেঞ্জ ২০২৫’। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ২৫০ জনের বেশি তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণে গত ২৯ ও ৩০ নভেম্বর সাভারে ব্র্যাক সিডিএম প্রাঙ্গণে বসেছিল তারুণ্যের এই মিলনমেলা। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আয়োজনে ব্র্যাকের ওয়াটার, স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন, ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট, আল্ট্রা পুওর গ্র্যাজুয়েশন কর্মসূচির ঊর্ধ্বতন পরিচালক হোসেন ইশরাত আদিব তরুণদের উদ্দেশে বলেন, সব সমস্যার সমাধানকে যখন আমরা একটি নির্দিষ্ট ছকে ফেলার চেষ্টা করি, তখনই সেটা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। প্রথাগত পুঁথিগত শিক্ষাগুলো ভুলে গিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকেই স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। ব্র্যাকের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হলো, স্থানীয় জনগোষ্ঠী। ব্র্যাক এখনও তাদের কাছ থেকেই শিখছে এবং এগুলো কাজে লাগিয়েই তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছে।

প্যানেল আলোচনায় লেখক ও গবেষক আফসান চৌধুরী বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি বড় জনযুদ্ধ। আর এটা সম্ভব হয়েছে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের কারণে।

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্যার ফজলে হাসান আবেদের মতো মানুষ সমাজে বিরল। মুক্তিযুদ্ধের জন্য তিনি দেশের বাইরে থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং ব্লাস্টের নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন এ সময় তরুণদের উদ্দেশে বলেন, সমাজের নানা অসঙ্গতি নিয়ে তরুণদের কথা বলা প্রয়োজন। তরুণরা প্রয়োজনে এসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক করবে, আলোচনা করবে, সোচ্চার হবে।

ট্রায়াথলিট ও আয়রনম্যান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত, ট্রাভেলেটস অব বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ডা. মানসী সাহা এবং জুলাই ছাত্র আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী কাজী আব্দুল্লাহ তরুণদের উদ্দেশে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ব্যক্তিগত সুস্থতা-বিষয়ক একটি পর্ব পরিচালনা করেন ব্র্যাকের লার্নিং অ্যান্ড লিডারশিপ ডেভেলপমেন্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মিফতাহ জামান। সাউথ এশিয়ান গেমসে ভারোত্তোলনে স্বর্ণপদক বিজয়ী মাবিয়া আক্তার নিজের জীবনের গল্প তুলে ধরেন ‘ইমপ্যাক্ট টক: ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প’ পর্বে।

ক্যারিয়ার গাইডেন্স শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন রবি আজিয়াটার মহাব্যবস্থাপক শাম্মা তাসনিম, বিকাশের ভাইস প্রেসিডেন্ট রেজাউর রহমান নাফিজ এবং ব্র্যাকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক নাজিবুল ইসলাম সরকার। আমরা নতুন নেটওয়ার্কের তাসমিম হোসেন তুবা এই পর্বটি সঞ্চালনা করেন।

দীপ্তি চৌধুরীর সঞ্চালনায় ‘অচেনা পথে চলা’ (পাথস লেস টেকেন) শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ফুটস্টেপস বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট শাহ রফায়াত চৌধুরী, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর অথৈ দাস তিন্নি, কার্টুন পিপলের প্রতিষ্ঠাতা রাশাদ ইমাম তন্ময়, লার্নিং বাংলাদেশের প্রশিক্ষক সাব্বির আহমেদ এবং পেইন্ট ইওর থটসের প্রতিষ্ঠাতা পুষ্পিতা চৌধুরী।

পিটাছড়া ফরেস্ট অ্যান্ড বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন ইনিশিয়েটিভের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মাহফুজ রাসেল জানান ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। আলোচনার মাধ্যমে শেখা এবং তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে ‘আমরা নতুন আড্ডা’ পর্বের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে ছিল ‘বাধা পেরিয়ে শেখা’, ‘লেটস এয়ার ইট আউট’, ‘ফ্যাক্ট অর ফেক’, ‘হিল অ্যান্ড চিল’, ‘আনলার্নিং পিংক অ্যান্ড ব্লু’, ‘হ্যান্ডস অন ক্লাইমেট’, ‘ক্লিক টু থ্রাইভ’ এবং ‘সবার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা’ বিষয়ে আলোচনা। সবশেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ব্র্যাক ইউথ প্ল্যাটফরমের সিনিয়র ম্যানেজার দিতিপ্রিয়া রায়।

এই আয়োজনের প্রথম দিন শনিবার তরুণদের উদ্ভাবন ও উদ্যোগগুলোর মধ্যে চূড়ান্ত পর্বে ১২টিকে মেনোনিত করা হয়। সৃজনশীলতা, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় স্বীকৃতি পায় তিনটি উদ্যোগ। এর মধ্যে রয়েছে, প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অডিওবুক ‘স্টোরিজ অব ইনক্লুশন’, নারিকেলের খোসা থেকে পরিবেশবান্ধব চারকোল উৎপাদনের প্রকল্প ‘জলশিখা’ এবং শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক খেলনা তৈরির প্রকল্প ‘গুড্ডু টয়েজ’। প্রথমবারের মতো চেঞ্জমেকার অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীরা পাচ্ছেন ব্র্যাকের সোশ্যাল এন্টারপ্রেনার্স ফেলোশিপ।

ব্র্যাকের আমরা নতুন নেটওয়ার্ক (এএনএন) কাজ করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে। প্রশিক্ষণ, পরামর্শ এবং নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উপযোগী করে গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য। দেশের ১৭টি জেলায় বিস্তৃত এএনএন উদ্যোগের মাধ্যমে ২ হাজার ৬০০ জনের বেশি তরুণ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এই তরুণ চেঞ্জমেকার্সদের মধ্যে অনেকে পেয়েছেন গেটস ফাউন্ডেশন, নাসা ও জাতিসংঘ থেকে নানা পুরস্কার ও সম্মাননা। ‘আমরা নতুন নেটওয়ার্কের’ অ্যালামনাইরা এখনও যুক্ত আছেন এই প্ল্যাটফর্মে।=