ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া মেটাতে ২ হাজার ৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা পরিশোধের লক্ষ্যে ২ হাজার ৬৭ কোটি ৫ লাখ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছে। মূলত বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী (আইপিপি) এবং ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর (আরপিপি) মার্চ মাসের বিল মেটাতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) অনুকূলে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের বিদ্যুৎ ভর্তুকি খাত থেকে এই অর্থ সংস্থান করা হবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, মার্চ মাসে ৮৫টি আইপিপি এবং ৯টি আরপিপির প্রকৃত ঘাটতির ওপর ভিত্তি করে এই ভর্তুকির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সকল বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছিল।

তবে এই অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগ বেশ কিছু কঠোর শর্ত আরোপ করেছে। জানানো হয়েছে, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদন নেই এমন কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র কিংবা ভারত থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুতের বিল এই তহবিল থেকে পরিশোধ করা যাবে না। এছাড়া বিআর পাওয়ার জেন শ্রীপুর ও আরপিসিএল-নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেডের মতো নতুন কেন্দ্রগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ভর্তুকি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ খাতের বিস্তারিত আর্থিক তথ্য অর্থ বিভাগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত দায়ের সঙ্গে এই ভর্তুকির সমন্বয় করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটভাটার তাপে পুড়ছে ফসলি জমি, সর্বস্বান্ত রাজশাহীর কৃষকরা

বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া মেটাতে ২ হাজার ৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ০২:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা পরিশোধের লক্ষ্যে ২ হাজার ৬৭ কোটি ৫ লাখ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছে। মূলত বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী (আইপিপি) এবং ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর (আরপিপি) মার্চ মাসের বিল মেটাতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) অনুকূলে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের বিদ্যুৎ ভর্তুকি খাত থেকে এই অর্থ সংস্থান করা হবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, মার্চ মাসে ৮৫টি আইপিপি এবং ৯টি আরপিপির প্রকৃত ঘাটতির ওপর ভিত্তি করে এই ভর্তুকির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সকল বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছিল।

তবে এই অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগ বেশ কিছু কঠোর শর্ত আরোপ করেছে। জানানো হয়েছে, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদন নেই এমন কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র কিংবা ভারত থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুতের বিল এই তহবিল থেকে পরিশোধ করা যাবে না। এছাড়া বিআর পাওয়ার জেন শ্রীপুর ও আরপিসিএল-নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেডের মতো নতুন কেন্দ্রগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ভর্তুকি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ খাতের বিস্তারিত আর্থিক তথ্য অর্থ বিভাগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত দায়ের সঙ্গে এই ভর্তুকির সমন্বয় করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।