সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ, তার ভাই মাহের আল-আসাদ এবং দক্ষিণ সিরিয়ার দারা প্রদেশের সাবেক রাজনৈতিক নিরাপত্তা প্রধান আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দামেস্কের একটি ফৌজদারি আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঘোষিত এই রায়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
আদালত বাশার আল-আসাদকে শিশুসহ একাধিক ব্যক্তিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা, নির্যাতন, নির্বিচারে আটক এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছেন। একই সঙ্গে, আতেফ নাজিবের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, নির্বিচারে আটক, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনে জীবন্ত গুলি ব্যবহার এবং আটককেন্দ্রের ভেতরে বন্দীদের ওপর পদ্ধতিগত গণহত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
আতেফ নাজিবের বিচার তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হলেও, বাশার ও মাহের আল-আসাদের বিচার হয়েছে তাদের অনুপস্থিতিতে। চতুর্থ ফৌজদারি আদালত বাশার ও মাহের আল-আসাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি অভিযান চালানোর নির্দেশও দিয়েছেন, যা তাদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১১ সালে দারাতে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত নিরাপত্তা অভিযানে নাজিবের জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল শারার নেতৃত্বাধীন যোদ্ধাদের মাত্র ১১ দিনের অভিযানে আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটেছিল। সেসময় বাশার আল-আসাদ মস্কোতে পালিয়ে যান। এই রায় তার অনুপস্থিতিতেই কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























