মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ‘আকুতি জানিয়েছিল’, দাবি ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

যুদ্ধ শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করলেও মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই আলোচনার জন্য তাদের কাছেই অনুরোধ করতে হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আরাগচি বলেন, সংঘাতের শুরুতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাত্র দুটি শব্দ লিখেছিলেন— ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’। তার এই মন্তব্যের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে কী চেয়েছিল তা স্পষ্ট হয়।

ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিকের দাবি, “এটাই তারা আমাদের কাছে চেয়েছিল। অথচ ২০ দিন পর সেই একই শত্রুকে আলোচনার জন্য আকুতি জানাতে হয়েছে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, পরবর্তী সময়ে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা তারাই উপলব্ধি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ এবং সম্ভাব্য আলোচনাকে ঘিরে যখন উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে, ঠিক তখনই আরাগচির এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিফার রাজনীতিতে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ: ইনফান্তিনোর পক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা

আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ‘আকুতি জানিয়েছিল’, দাবি ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০২:০০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

যুদ্ধ শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করলেও মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই আলোচনার জন্য তাদের কাছেই অনুরোধ করতে হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আরাগচি বলেন, সংঘাতের শুরুতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাত্র দুটি শব্দ লিখেছিলেন— ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’। তার এই মন্তব্যের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে কী চেয়েছিল তা স্পষ্ট হয়।

ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিকের দাবি, “এটাই তারা আমাদের কাছে চেয়েছিল। অথচ ২০ দিন পর সেই একই শত্রুকে আলোচনার জন্য আকুতি জানাতে হয়েছে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, পরবর্তী সময়ে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা তারাই উপলব্ধি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ এবং সম্ভাব্য আলোচনাকে ঘিরে যখন উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে, ঠিক তখনই আরাগচির এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।