ভবিষ্যতে সম্ভাব্য বন্দিবিনিময়ের উদ্দেশ্যে প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ ইসরায়েল আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইসরায়েলের একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভ্যন্তরে সম্প্রতি এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের প্রধান ডেভিড জিনি ভবিষ্যতে কোনো ইসরায়েলি নাগরিক আটক বা নিখোঁজ হলে তার বিনিময়ে ফিলিস্তিনিদের মরদেহ আটকে রাখার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও এই অবস্থানকে সমর্থন করছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি ফিলিস্তিনি অধিকার সংগঠন জানিয়েছিল, ইসরায়েল গাজায় নিহত প্রায় ১ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ সেদে তেইমান সামরিক স্থাপনায় আটকে রেখেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে অন্তত ১ হাজার ২৫৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে।
ফিলিস্তিনিদের মরদেহ আটকে রাখার এই ঘটনা নিহতদের পরিবারগুলোর জন্য দীর্ঘকাল ধরে গভীর মানবিক ও মানসিক সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বজনদের মরদেহ ফেরত দেওয়া এবং যথাযথ ধর্মীয় ও পারিবারিক রীতিতে দাফনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে বিভিন্ন ফিলিস্তিনি অধিকার সংগঠন।
রিপোর্টারের নাম 
























