মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জাদুঘরে নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য স্থাপন প্রসঙ্গে হেফাজতের তীব্র প্রতিবাদ ও অপসারণের দাবি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের অবয়বে ভাস্কর্যসহ সব ভাস্কর্য স্থাপনকে শরিয়তের বিধানের চরম লঙ্ঘন এবং আলেমদের আত্মত্যাগের সঙ্গে এক ধরনের বৈপরীত্য ও উপহাস আখ্যা দিয়েছেন সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে জাদুঘর থেকে এসব ভাস্কর্য উচ্ছেদ ও অপসারণের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা এসব দাবি জানান। বিবৃতিতে তারা কড়া ভাষায় বলেন, ইসলামের স্পষ্ট বিধান বা শরিয়তের দৃষ্টিতে যেকোনো মানুষের ভাস্কর্য নির্মাণ সম্পূর্ণ হারাম ও অবৈধ। ব্যক্তি, রাজনৈতিক পরিচয় বা অবদান যত বড়ই হোক না কেন, শরিয়তের বিধানকে তোয়াক্কা না করে মনগড়া কিছু করার সুযোগ কারো নেই।

তারা স্পষ্ট জানান, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক বিপ্লব, বীর শহীদ ও আন্দোলনকারীদের মহান ত্যাগকে জাতি অবশ্যই আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণে রাখবে। কিন্তু সেই স্মৃতিরক্ষাকে কোনোভাবেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও ইসলামি মূল্যবোধের মুখোমুখি দাঁড় করানো যাবে না।

উল্লেখ্য, জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের অবয়বে ভাস্কর্যসহ সব ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে জাদুঘর থেকে এসব ভাস্কর্য উচ্ছেদ ও অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, ইসলামের বিধান অনুযায়ী যেকোনো মানুষের ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম ও অবৈধ। তারা মনে করেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদ ও আন্দোলনকারীদের স্মৃতি রক্ষায় দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও ইসলামি মূল্যবোধকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সেরা ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘোষণা: আধিপত্য কুমিল্লার, উজ্জ্বল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর

জাদুঘরে নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য স্থাপন প্রসঙ্গে হেফাজতের তীব্র প্রতিবাদ ও অপসারণের দাবি

আপডেট সময় : ০৩:২৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের অবয়বে ভাস্কর্যসহ সব ভাস্কর্য স্থাপনকে শরিয়তের বিধানের চরম লঙ্ঘন এবং আলেমদের আত্মত্যাগের সঙ্গে এক ধরনের বৈপরীত্য ও উপহাস আখ্যা দিয়েছেন সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে জাদুঘর থেকে এসব ভাস্কর্য উচ্ছেদ ও অপসারণের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা এসব দাবি জানান। বিবৃতিতে তারা কড়া ভাষায় বলেন, ইসলামের স্পষ্ট বিধান বা শরিয়তের দৃষ্টিতে যেকোনো মানুষের ভাস্কর্য নির্মাণ সম্পূর্ণ হারাম ও অবৈধ। ব্যক্তি, রাজনৈতিক পরিচয় বা অবদান যত বড়ই হোক না কেন, শরিয়তের বিধানকে তোয়াক্কা না করে মনগড়া কিছু করার সুযোগ কারো নেই।

তারা স্পষ্ট জানান, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক বিপ্লব, বীর শহীদ ও আন্দোলনকারীদের মহান ত্যাগকে জাতি অবশ্যই আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণে রাখবে। কিন্তু সেই স্মৃতিরক্ষাকে কোনোভাবেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও ইসলামি মূল্যবোধের মুখোমুখি দাঁড় করানো যাবে না।

উল্লেখ্য, জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের অবয়বে ভাস্কর্যসহ সব ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে জাদুঘর থেকে এসব ভাস্কর্য উচ্ছেদ ও অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, ইসলামের বিধান অনুযায়ী যেকোনো মানুষের ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম ও অবৈধ। তারা মনে করেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদ ও আন্দোলনকারীদের স্মৃতি রক্ষায় দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও ইসলামি মূল্যবোধকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।