মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

গণতন্ত্রের সৌন্দর্য রক্ষায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত বিরোধী দলের

গণতন্ত্রের সৌন্দর্য রক্ষায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে নিজেদের দায়িত্ব হিসেবে নিয়ে বিরোধী দল এতে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টোরোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই ঘোষণা দেন। এর আগে শনিবার রাতে মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়েও আলোচনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে রবিবার ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে তা চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হিসেবে আমরা এটাকে (রাষ্ট্রপতি নির্বাচন) আমাদের দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছি। আমরা মনে করি, সর্বক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিত, প্রতিযোগিতামূলক হওয়া উচিত। তাহলেই গণতন্ত্রের গতি ফিরে আসবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে দেশের কল্যাণের জন্য আমাদের বিবেচনায় সর্বোত্তম ব্যক্তিকে এ দেশের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তিনি দোয়া কামনা করে বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি কাজ যেন জাতির জন্য হয়, জাতির কল্যাণের জন্য হয়। আমরা এই ব্যাপারে ইনশাল্লাহ কোনো আপস করবো না। আমরা সবার সহযোগিতা চাই।”

প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমাদের প্রত্যাশা ছিল সরকার গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবে। তাহলে সংস্কারকৃত সংবিধানের মাধ্যমে নতুনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে পারব।”

তিনি আরো বলেন, “কিন্তু এই সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করেছে এবং তারা জুলাই সনদের বাস্তবায়নের কোনো কিছু কোনো ধারাতেই নেই, সংস্কার পরিষদের শপথ তারা নেয়নি, অধিবেশন ডাকেনি এবং নির্বাচন কমিশনসহ সব প্রতিষ্ঠানকে তারা দলীয়করণ করছে। এই সরকারও আসলে পূর্ব স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে।”

তিনি বলেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও বি…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গণতন্ত্রের সৌন্দর্য রক্ষায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত বিরোধী দলের

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

গণতন্ত্রের সৌন্দর্য রক্ষায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে নিজেদের দায়িত্ব হিসেবে নিয়ে বিরোধী দল এতে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টোরোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই ঘোষণা দেন। এর আগে শনিবার রাতে মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়েও আলোচনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে রবিবার ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে তা চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হিসেবে আমরা এটাকে (রাষ্ট্রপতি নির্বাচন) আমাদের দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছি। আমরা মনে করি, সর্বক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিত, প্রতিযোগিতামূলক হওয়া উচিত। তাহলেই গণতন্ত্রের গতি ফিরে আসবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে দেশের কল্যাণের জন্য আমাদের বিবেচনায় সর্বোত্তম ব্যক্তিকে এ দেশের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তিনি দোয়া কামনা করে বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি কাজ যেন জাতির জন্য হয়, জাতির কল্যাণের জন্য হয়। আমরা এই ব্যাপারে ইনশাল্লাহ কোনো আপস করবো না। আমরা সবার সহযোগিতা চাই।”

প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমাদের প্রত্যাশা ছিল সরকার গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবে। তাহলে সংস্কারকৃত সংবিধানের মাধ্যমে নতুনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে পারব।”

তিনি আরো বলেন, “কিন্তু এই সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করেছে এবং তারা জুলাই সনদের বাস্তবায়নের কোনো কিছু কোনো ধারাতেই নেই, সংস্কার পরিষদের শপথ তারা নেয়নি, অধিবেশন ডাকেনি এবং নির্বাচন কমিশনসহ সব প্রতিষ্ঠানকে তারা দলীয়করণ করছে। এই সরকারও আসলে পূর্ব স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে।”

তিনি বলেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও বি…