মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

কমলাপুর স্টেডিয়ামের প্রশাসক বরখাস্ত, অব্যবস্থাপনার দায়ে দোকানের বরাদ্দ বাতিলের হুঁশিয়ারি

কমলাপুর স্টেডিয়ামের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পরদিনই স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। পরিদর্শনের পর তিনি স্টেডিয়ামের প্রশাসককে বরখাস্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন এবং অনিয়ম অব্যাহত থাকলে দোকানের বরাদ্দ বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

শনিবার একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কমলাপুর স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে বিদ্যুৎ না থাকা, ফুটবলারদের দুর্ভোগ এবং ভেন্যুর সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা তুলে ধরা হয়। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিমন্ত্রী স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান এবং সেখানে বিদ্যুৎ সংকট ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন যে, কিছু দোকানের জায়গা রিকশার গ্যারেজ এবং বিভিন্ন কারখানার মতো ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সেখানে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অনিয়ম বন্ধ না হলে সংশ্লিষ্ট দোকানের বরাদ্দ বাতিল করা হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানান। স্টেডিয়ামের জায়গা কোনোভাবেই অননুমোদিত কাজে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কমলাপুর স্টেডিয়ামের ব্যবস্থাপনায়ও পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্টেডিয়ামের দায়িত্ব প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে বিগত সরকারের নৃশংসতার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সংরক্ষণের দাবি

কমলাপুর স্টেডিয়ামের প্রশাসক বরখাস্ত, অব্যবস্থাপনার দায়ে দোকানের বরাদ্দ বাতিলের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৬:১০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

কমলাপুর স্টেডিয়ামের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পরদিনই স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। পরিদর্শনের পর তিনি স্টেডিয়ামের প্রশাসককে বরখাস্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন এবং অনিয়ম অব্যাহত থাকলে দোকানের বরাদ্দ বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

শনিবার একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কমলাপুর স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে বিদ্যুৎ না থাকা, ফুটবলারদের দুর্ভোগ এবং ভেন্যুর সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা তুলে ধরা হয়। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিমন্ত্রী স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান এবং সেখানে বিদ্যুৎ সংকট ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন যে, কিছু দোকানের জায়গা রিকশার গ্যারেজ এবং বিভিন্ন কারখানার মতো ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সেখানে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অনিয়ম বন্ধ না হলে সংশ্লিষ্ট দোকানের বরাদ্দ বাতিল করা হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানান। স্টেডিয়ামের জায়গা কোনোভাবেই অননুমোদিত কাজে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কমলাপুর স্টেডিয়ামের ব্যবস্থাপনায়ও পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্টেডিয়ামের দায়িত্ব প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।