যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগের এক কর্মীসভায় প্রায় দুই বছর পর প্রকাশ্যে এসেছেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত রাজনীতিবিদ শামীম ওসমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে দেশে গণঅভ্যুত্থানের পর তার অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল। এই প্রথম তাকে জনসমক্ষে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা গেল।
কর্মীসভায় প্রতিপক্ষের দিকে আক্রমণাত্মক মন্তব্য ছুড়ে দেওয়ার পরিচিত ভঙ্গির বাইরে গিয়ে শামীম ওসমান নিজেকে ‘ব্যর্থ’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কে বড় নেতা বা কে ছোট নেতা, তা মুখ্য নয়; এখন প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ হওয়া।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে শামীম ওসমান দাবি করেন, তিনি অনেক আগেই দেশে কী ঘটতে চলেছে তা আঁচ করতে পেরেছিলেন এবং ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখছিলেন। তিনি বিএনপি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকারকারী গোষ্ঠীগুলোর বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা গোলাম আজমের নিষিদ্ধ হওয়ার প্রসঙ্গ এবং নিজের কার্যালয়ে বড় বোমা হামলার ঘটনাও স্মরণ করেন।
শামীম ওসমান ২০২৪ সালের উত্তাল সময়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ২ আগস্ট রাতে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে সেনাবাহিনীকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া, কারফিউ প্রত্যাহার এবং নারায়ণগঞ্জে বড় জনসমাবেশের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার ভাষ্যমতে, আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস ছিল জনগণ এবং তিনি নারায়ণগঞ্জে দেড় থেকে দুই লাখ মানুষ জড়ো করার সক্ষমতা রাখতেন। তবে, সম্ভাব্য গৃহযুদ্ধ এড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রক্তপাত এড়িয়ে যেতে চেয়েছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 




















