প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাঁশখালীর অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বন্যাদুর্গতদের মাঝে নতুন ঘরের চাবি তুলে দিয়েছেন। রবিবার দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালীর বন্যা কবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে নির্মিত টিনের নতুন ঘরগুলোর চাবি তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেন। তিনি সেখানে একটি মেহগনি গাছের চারা রোপণ করেন।
বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বন্যায় বহু মানুষের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। আজ (রবিবার) ১০০ দুঃস্থ পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও অনেক দুঃস্থ মানুষকে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা এবং কিছু দুঃস্থ নারীকে চাল দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।”
তিনি বাঁশখালীর উপকূলীয় মানুষের সুরক্ষায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান। তিনি বলেন, “বেড়িবাঁধ আমাদের পরিকল্পনার একটি অংশ। ইনশাআল্লাহ বেড়িবাঁধের কাজ শুরু হবে।”
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাঁশখালীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দিয়েছেন। রবিবার দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালীর বন্যা কবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষে টিনের নতুন ঘরের চাবি তাদের হাতে তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। তিনি সেখানে একটি মেহগনি গাছের চারা রোপণ করেন।
বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যায় বহু মানুষের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। এদিন ১০০ দুঃস্থ পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও অনেক দুঃস্থ মানুষকে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা এবং কিছু দুঃস্থ নারীকে চাল দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।
বক্তব্য বাঁশখালীর উপকূলীয় মানুষের সুরক্ষায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বেড়িবাঁধ আমাদের পরিকল্পনার একটি অংশ। ইনশাআল্লাহ বেড়িবাঁধের কাজ শুরু হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















