মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

মানিকগঞ্জে যমুনার তীব্র ভাঙন: নিঃস্ব হচ্ছে শত শত পরিবার, হুমকির মুখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে ভয়াবহ নদীভাঙন। উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের বড় লাউতারা ও ছনপাড়া গ্রামে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো। গত কয়েকদিনের আকস্মিক ভাঙনে ইতোমধ্যে অন্তত ১৫-১৬টি পরিবার তাদের শেষ সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার এখন দিশেহারা। ভাঙনের মুখে রয়েছে প্রায় ২০০ পরিবারসহ শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসা। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। জিও ব্যাগ ফেলে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের দাবি জানিয়েছেন নদীপাড়ের আতঙ্কিত মানুষ।

জিয়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতোয়ার রহমান জানান, নদীভাঙনের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্যকেও।

অন্যদিকে বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নেও প্রায় তিন শতাধিক ঘরবাড়ি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বাজার, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষায় দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অধীনে নদী শাসন ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে এই সংকট নিরসনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক দশকে পুসাব: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম

মানিকগঞ্জে যমুনার তীব্র ভাঙন: নিঃস্ব হচ্ছে শত শত পরিবার, হুমকির মুখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

আপডেট সময় : ১১:১৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে ভয়াবহ নদীভাঙন। উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের বড় লাউতারা ও ছনপাড়া গ্রামে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো। গত কয়েকদিনের আকস্মিক ভাঙনে ইতোমধ্যে অন্তত ১৫-১৬টি পরিবার তাদের শেষ সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার এখন দিশেহারা। ভাঙনের মুখে রয়েছে প্রায় ২০০ পরিবারসহ শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসা। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। জিও ব্যাগ ফেলে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের দাবি জানিয়েছেন নদীপাড়ের আতঙ্কিত মানুষ।

জিয়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতোয়ার রহমান জানান, নদীভাঙনের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্যকেও।

অন্যদিকে বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নেও প্রায় তিন শতাধিক ঘরবাড়ি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বাজার, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষায় দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অধীনে নদী শাসন ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে এই সংকট নিরসনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।