ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর ওপর ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৫৮ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা। বৃহস্পতিবার দেশটির মারিব প্রদেশ এবং সৌদি সীমান্ত সংলগ্ন হাদ্রামাউত এলাকার একাধিক সামরিক ক্যাম্পে এই হামলা চালানো হয়।
সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মারিবের একটি ক্যাম্পে সেনাদের নিয়মিত সমাবেশের সময় হঠাৎ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ঘটনাস্থলেই ৪৫ জন প্রাণ হারান। হুথি বিদ্রোহীরা এই হামলার দায় স্বীকার করে একে ‘সৌদি সমর্থিত বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধির’ পাল্টা জবাব হিসেবে অভিহিত করেছে। এই ঘটনার ফলে ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন করে ভয়াবহ রূপ নেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে সরকারি বাহিনীর অবস্থানগুলোতে নিখুঁত হামলা চালিয়েছে। এদিকে হামলার রেশ পৌঁছেছে প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরবেও। দেশটির নাজরান এলাকায় হুথিদের হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























