মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

পরিচ্ছন্ন সমাজ গড়ার কারিগর রাজমিস্ত্রি রিংকু: প্রশংসায় ভাসছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

পেশায় তিনি একজন সাধারণ রাজমিস্ত্রি, কিন্তু তার স্বপ্ন ও কাজ অসাধারণ। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আবদুল্লাহ আল নোমান রিংকু প্রতিদিন হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে ফেরার পথে সড়কের দুই পাশের আগাছা পরিষ্কার করেন। নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে গত কয়েক বছর ধরে তিনি সড়কের ঝোপঝাড় পরিষ্কার, বৃক্ষরোপণ এবং মৃত প্রাণীকে মাটিচাপা দেওয়ার মতো মহৎ কাজ করে আসছেন।

রিংকু জানান, সওয়াবের আশায় এবং পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে তিনি এই কাজ করেন। স্থানীয় শাহ ফখরুদ্দিন সড়কের বিভিন্ন অংশে তাকে নিয়মিত কোদাল ও দা হাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে দেখা যায়। শুরুতে অনেকে একে ভিন্ন চোখে দেখলেও বর্তমানে তার এই মানবিক ও পরিবেশবান্ধব কাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী রিংকুর এই স্বেচ্ছাসেবী কাজের প্রশংসা করে বলেন, একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের এমন সচেতনতা সমাজের জন্য বড় উদাহরণ। রিংকুর মতো সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতেন, তবে আমাদের পরিবেশ আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য হয়ে উঠত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে মন্ত্রীর পথসভায় যুবকের কাছে পাওয়া পিস্তলটি আসলে খেলনা: পুলিশ

পরিচ্ছন্ন সমাজ গড়ার কারিগর রাজমিস্ত্রি রিংকু: প্রশংসায় ভাসছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

আপডেট সময় : ১০:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

পেশায় তিনি একজন সাধারণ রাজমিস্ত্রি, কিন্তু তার স্বপ্ন ও কাজ অসাধারণ। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আবদুল্লাহ আল নোমান রিংকু প্রতিদিন হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে ফেরার পথে সড়কের দুই পাশের আগাছা পরিষ্কার করেন। নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে গত কয়েক বছর ধরে তিনি সড়কের ঝোপঝাড় পরিষ্কার, বৃক্ষরোপণ এবং মৃত প্রাণীকে মাটিচাপা দেওয়ার মতো মহৎ কাজ করে আসছেন।

রিংকু জানান, সওয়াবের আশায় এবং পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে তিনি এই কাজ করেন। স্থানীয় শাহ ফখরুদ্দিন সড়কের বিভিন্ন অংশে তাকে নিয়মিত কোদাল ও দা হাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে দেখা যায়। শুরুতে অনেকে একে ভিন্ন চোখে দেখলেও বর্তমানে তার এই মানবিক ও পরিবেশবান্ধব কাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী রিংকুর এই স্বেচ্ছাসেবী কাজের প্রশংসা করে বলেন, একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের এমন সচেতনতা সমাজের জন্য বড় উদাহরণ। রিংকুর মতো সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতেন, তবে আমাদের পরিবেশ আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য হয়ে উঠত।