মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে, তবে প্রতিযোগীদের তুলনায় কম ক্ষতির শিকার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বৃহত্তম বাজার। দেশটিতে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ যায়। তবে, বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে উচ্চ শুল্কারোপের কারণে দেশটির তৈরি পোশাকের চাহিদা কমেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সামগ্রিকভাবে পোশাক আমদানি হ্রাস পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের বস্ত্র ও পোশাক দপ্তর (ওটেক্সা) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে মার্কিন পোশাক আমদানি ৮.০৪ শতাংশ কমে ৩৫.০৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। পরিমাণের দিক থেকেও আমদানি ৮.৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে, গড় একক মূল্য ০.৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ৪.০১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৭৫ শতাংশ কম। তবে, শুধুমাত্র জুন মাসে বাংলাদেশ থেকে ৭৬৩.৫৭ মিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৭৪ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে চীন ও ভারত উল্লেখযোগ্য ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই ছয় মাসে চীন থেকে ৩৭.৬৯ শতাংশ এবং ভারত থেকে ২৫.২৭ শতাংশ পোশাক আমদানি কমেছে। অন্যদিকে, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে পোশাকের আমদানি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিমাণের দিক থেকেও কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনাম থেকে আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও চীন এবং ভারত থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন অধিকাংশ মার্কিনি: জরিপ

মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে, তবে প্রতিযোগীদের তুলনায় কম ক্ষতির শিকার

আপডেট সময় : ১০:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বৃহত্তম বাজার। দেশটিতে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ যায়। তবে, বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে উচ্চ শুল্কারোপের কারণে দেশটির তৈরি পোশাকের চাহিদা কমেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সামগ্রিকভাবে পোশাক আমদানি হ্রাস পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের বস্ত্র ও পোশাক দপ্তর (ওটেক্সা) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে মার্কিন পোশাক আমদানি ৮.০৪ শতাংশ কমে ৩৫.০৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। পরিমাণের দিক থেকেও আমদানি ৮.৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে, গড় একক মূল্য ০.৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ৪.০১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৭৫ শতাংশ কম। তবে, শুধুমাত্র জুন মাসে বাংলাদেশ থেকে ৭৬৩.৫৭ মিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৭৪ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে চীন ও ভারত উল্লেখযোগ্য ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই ছয় মাসে চীন থেকে ৩৭.৬৯ শতাংশ এবং ভারত থেকে ২৫.২৭ শতাংশ পোশাক আমদানি কমেছে। অন্যদিকে, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে পোশাকের আমদানি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিমাণের দিক থেকেও কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনাম থেকে আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও চীন এবং ভারত থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।