মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি, তিন কর্মচারী সন্দেহে তদন্ত

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেনকে কুরিয়ারের মাধ্যমে কাফনের কাপড় ও প্রাণনাশের হুমকিমূলক চিরকুট পাঠানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পৌরসভার মাস্টাররোলে কর্মরত তিনজন কর্মচারীর জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

অভিযুক্ত কর্মচারীরা হলেন—কম্পিউটার অপারেটর আল-মামুন ও আল-আমিন এবং লাইব্রেরিয়ান রাকিব মিয়া। ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তারা কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

ভুক্তভোগী কর্মকর্তা জানান, গত ১৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তার স্ত্রীর ব্যবসায়িক ঠিকানায় একটি পার্সেল আসে। পার্সেলটি খোলার পর সেখানে এক গজ সাদা কাফনের কাপড়, গোলাপজল, আগরবাতি এবং একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে তাকে এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছাড়ার আলটিমেটাম দেওয়া হয়, অন্যথায় তার পরিণতি ‘ভয়ংকর’ হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

মো. ফারুক হোসেন বলেন, “আমি সরকারি বিধি অনুযায়ী সততার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। কোনো অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত আবদার প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি পক্ষ আমার ওপর ক্ষুব্ধ হতে পারে।” ধারণা করা হচ্ছে, চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে যারা আন্দোলন বা মামলা করছেন, তারা তাকে প্রতিবন্ধক মনে করে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই ঘটনায় ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তসলিমা নাসরিনের অভিযোগ: দেশে ফিরলে আইনি প্রতিকার চাইতে পারবেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি, তিন কর্মচারী সন্দেহে তদন্ত

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেনকে কুরিয়ারের মাধ্যমে কাফনের কাপড় ও প্রাণনাশের হুমকিমূলক চিরকুট পাঠানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পৌরসভার মাস্টাররোলে কর্মরত তিনজন কর্মচারীর জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

অভিযুক্ত কর্মচারীরা হলেন—কম্পিউটার অপারেটর আল-মামুন ও আল-আমিন এবং লাইব্রেরিয়ান রাকিব মিয়া। ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তারা কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

ভুক্তভোগী কর্মকর্তা জানান, গত ১৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তার স্ত্রীর ব্যবসায়িক ঠিকানায় একটি পার্সেল আসে। পার্সেলটি খোলার পর সেখানে এক গজ সাদা কাফনের কাপড়, গোলাপজল, আগরবাতি এবং একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে তাকে এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছাড়ার আলটিমেটাম দেওয়া হয়, অন্যথায় তার পরিণতি ‘ভয়ংকর’ হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

মো. ফারুক হোসেন বলেন, “আমি সরকারি বিধি অনুযায়ী সততার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। কোনো অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত আবদার প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি পক্ষ আমার ওপর ক্ষুব্ধ হতে পারে।” ধারণা করা হচ্ছে, চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে যারা আন্দোলন বা মামলা করছেন, তারা তাকে প্রতিবন্ধক মনে করে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই ঘটনায় ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।