ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে এলাকাবাসীর চাঁদা তুলে সড়ক সংস্কার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের দোয়ালিপাড়া গ্রামের ধসে যাওয়া সেতুর সংযোগ সড়ক সংস্কারে সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই মাঠে নেমেছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে গ্রামবাসী চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করেছেন। বুধবার গ্রামবাসীরা রড, সিমেন্ট, বালুসহ প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী নিয়ে ধসে যাওয়া অংশে মাটি ভরাট ও সংস্কারকাজ শুরু করেন। তাদের আশা, এই উদ্যোগ সফল হলে বহুদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে।

কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পানির তীব্র স্রোতে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কসংলগ্ন ওই সড়কের একাংশ ধসে পড়েছিল। এতে দোয়ালিপাড়া সহ আশপাশের গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও রোগীদের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছিল। সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের তরুণ থেকে প্রবীণ—সবাই একসঙ্গে সংস্কারকাজে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয়দের সম্মিলিত উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ভরাট ও সেতুর সংযোগস্থল মজবুত করার কাজ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৪ সালের জুলাই গণ _হত্যার বিচার ও সনদ বাস্তবায়নের দাবি শহীদ ফাইয়াজের বাবার

সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে এলাকাবাসীর চাঁদা তুলে সড়ক সংস্কার

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের দোয়ালিপাড়া গ্রামের ধসে যাওয়া সেতুর সংযোগ সড়ক সংস্কারে সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই মাঠে নেমেছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে গ্রামবাসী চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করেছেন। বুধবার গ্রামবাসীরা রড, সিমেন্ট, বালুসহ প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী নিয়ে ধসে যাওয়া অংশে মাটি ভরাট ও সংস্কারকাজ শুরু করেন। তাদের আশা, এই উদ্যোগ সফল হলে বহুদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে।

কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পানির তীব্র স্রোতে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কসংলগ্ন ওই সড়কের একাংশ ধসে পড়েছিল। এতে দোয়ালিপাড়া সহ আশপাশের গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও রোগীদের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছিল। সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের তরুণ থেকে প্রবীণ—সবাই একসঙ্গে সংস্কারকাজে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয়দের সম্মিলিত উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ভরাট ও সেতুর সংযোগস্থল মজবুত করার কাজ করা হয়েছে।