জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.১। এই ঘটনায় ৩৬ হাজারের বেশি পরিবার বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান দ্বীপ কিউশুর কুমামোতো এলাকায় এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি জানিয়েছেন, নিখোঁজদের উদ্ধারে রাতভর অভিযান চালানো হয়েছে এবং উদ্ধারকাজ এখনো চলছে। নিহতদের পাশাপাশি আরো অনেক মানুষ আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে তিনি জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পের পর একটি শপিং সেন্টারের অংশ ধসে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকের কারণে এই ধসের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া একটি কাগজ কারখানার বিশাল চিমনিও ভেঙে পড়েছে। দেশটির দমকল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কাশিমা শহরের এইয়ন মলের দ্বিতীয় তলা ধসে পড়ায় সেখানে বেশ কয়েকজন আটকা পড়েন। নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির ইয়াতসুশিরো কারখানায় একটি চিমনি ধসে পড়ে। এতে ধ্বংসস্তূপের নিচে কয়েকজন আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে কুমামোতোর জরুরি উদ্ধারকারী দল।
জাপানের ফায়ার অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানায়, ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই কুমামোতো প্রিফেকচারের বাসিন্দা। এছাড়া পাশের নাগাসাকি প্রিফেকচারেও সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
রিপোর্টারের নাম 






















