ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ইরানকে কাঁধে বহনযোগ্য চীনা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ: রয়টার্সের প্রতিবেদন, বেইজিংয়ের অস্বীকার

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চীন থেকে কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার প্রথম চালান পেতে চলেছে। তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এই খবরে বলা হয়েছে, প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চুক্তির আওতায় ইরান কিউডব্লিউ-১২ ও এফএন-১৬ মডেলের ৩০০ থেকে ৪০০টি বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাবে।

প্রতিবেদন অনুসারে, এই চুক্তিটি হংকংভিত্তিক সংস্থা ঝংচিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। তবে, চীন সরকার এই খবরকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

রয়টার্সের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায় দেশটি স্বল্প-পাল্লার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে আগ্রহী। নতুন এই মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থাগুলো দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এবং ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নিম্ন উচ্চতায় উড়ন্ত বিমান প্রতিহত করতে সক্ষম।

এছাড়াও, ইরান চীনের কাছ থেকে অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম, বিশেষ করে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে রয়টার্স উল্লেখ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাটহাজারীতে চলন্ত গাড়িতে গুলিবর্ষণ, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ব্যবসায়ী

ইরানকে কাঁধে বহনযোগ্য চীনা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ: রয়টার্সের প্রতিবেদন, বেইজিংয়ের অস্বীকার

আপডেট সময় : ১২:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চীন থেকে কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার প্রথম চালান পেতে চলেছে। তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এই খবরে বলা হয়েছে, প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চুক্তির আওতায় ইরান কিউডব্লিউ-১২ ও এফএন-১৬ মডেলের ৩০০ থেকে ৪০০টি বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাবে।

প্রতিবেদন অনুসারে, এই চুক্তিটি হংকংভিত্তিক সংস্থা ঝংচিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। তবে, চীন সরকার এই খবরকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

রয়টার্সের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায় দেশটি স্বল্প-পাল্লার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে আগ্রহী। নতুন এই মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থাগুলো দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এবং ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নিম্ন উচ্চতায় উড়ন্ত বিমান প্রতিহত করতে সক্ষম।

এছাড়াও, ইরান চীনের কাছ থেকে অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম, বিশেষ করে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে রয়টার্স উল্লেখ করেছে।