দীর্ঘদিন পর পাটের ন্যায্য বাজারদর ও বাম্পার ফলন পেয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন দেশের পাটচাষিরা। জামালপুরের মাদারগঞ্জ ও বগুড়ার সারিয়াকান্দিসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বৃষ্টিপাত এবং কৃষি বিভাগের সঠিক নির্দেশনায় পাটের আশানুরূপ উৎপাদন হওয়ায় চাষিদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় এবার পাটের আবাদ কয়েকশ হেক্টর বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ পাট চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় বেশ লাভজনক। শুধু পাটের আঁশ নয়, জ্বালানি ও বেড়া তৈরির কাজে ব্যবহৃত পাটকাঠিরও ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে উন্নত জাতের বীজ ও সার সরবরাহ নিশ্চিত করায় পাটের হারানো গৌরব পুনরায় ফিরে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
রিপোর্টারের নাম 

























