ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ঢাবি নারী হলের সান্ধ্য আইন শিথিল ও ডিজিটাল নিরাপত্তা গেট স্থাপনের দাবি ডাকসুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান সান্ধ্য আইন শিথিলের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। একই সঙ্গে হলে প্রবেশের সময়সীমা যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি গেট স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ফলোআপ বৈঠকে ডাকসুর পক্ষ থেকে নারী হলের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এসব সমস্যা ও দাবিগুলো পুনরায় তুলে ধরা হয়। বৈঠকে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বর্তমান সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের একাডেমিক গবেষণা, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হলের প্রবেশ ও প্রস্থান নীতিমালা যুগোপযোগী করা প্রয়োজন। এ কারণে হল গেট বন্ধের সময় এবং লেট গেটের সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।

বৈঠকে বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে অনাবাসিক শিক্ষার্থী ও অন্যান্য নারী হলের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে হলে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়া অসুস্থতা বা জরুরি পরিস্থিতিতে হলে প্রবেশ কিংবা বের হওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন এবং হল প্রশাসন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও মানবিক ও সহানুভূতিশীল আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নারী হলগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান হিসেবে ডিজিটাল সিকিউরিটি গেট স্থাপনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে ডাকসু। তাদের মতে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস রিকগনিশন ব্যবস্থা চালু হলে হলে প্রবেশ আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। উপাচার্য বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ডিজিটাল গেট স্থাপনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পিরোজপুরে মাদ্রাসায় পাঠদান বন্ধ রেখে ছাত্রশিবিরের কর্মসূচি, তদন্তের ঘোষণা

ঢাবি নারী হলের সান্ধ্য আইন শিথিল ও ডিজিটাল নিরাপত্তা গেট স্থাপনের দাবি ডাকসুর

আপডেট সময় : ১০:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান সান্ধ্য আইন শিথিলের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। একই সঙ্গে হলে প্রবেশের সময়সীমা যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি গেট স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ফলোআপ বৈঠকে ডাকসুর পক্ষ থেকে নারী হলের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এসব সমস্যা ও দাবিগুলো পুনরায় তুলে ধরা হয়। বৈঠকে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বর্তমান সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের একাডেমিক গবেষণা, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হলের প্রবেশ ও প্রস্থান নীতিমালা যুগোপযোগী করা প্রয়োজন। এ কারণে হল গেট বন্ধের সময় এবং লেট গেটের সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।

বৈঠকে বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে অনাবাসিক শিক্ষার্থী ও অন্যান্য নারী হলের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে হলে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়া অসুস্থতা বা জরুরি পরিস্থিতিতে হলে প্রবেশ কিংবা বের হওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন এবং হল প্রশাসন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও মানবিক ও সহানুভূতিশীল আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নারী হলগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান হিসেবে ডিজিটাল সিকিউরিটি গেট স্থাপনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে ডাকসু। তাদের মতে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস রিকগনিশন ব্যবস্থা চালু হলে হলে প্রবেশ আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। উপাচার্য বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ডিজিটাল গেট স্থাপনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন।