গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট আউটলেটে ৪৪ জন গ্রাহকের সোয়া দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শাখার ক্যাশিয়ার ও পিয়নের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে আমানতকারীরা তাদের জমানো অর্থের নিরাপত্তার দাবিতে ব্যাংকে ভিড় করছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, তারা নিয়মিত টাকা জমা দিলেও ব্যাংকের নথিতে বা তাদের ব্যক্তিগত ব্যালেন্সে সেই টাকার কোনো অস্তিত্ব নেই। জমার রসিদ থাকা সত্ত্বেও হিসাবে টাকা না থাকায় অনেক গ্রাহক কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তরা টাকা ফেরতের অঙ্গীকারনামা দিলেও অনিশ্চয়তা কাটছে না। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ১৫ দিনের মধ্যে অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এদিকে, বিপুল অংকের এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত আমানত ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
রিপোর্টারের নাম 
























