ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে এমইপি গ্রুপ, কর্মসংস্থান হবে ২ হাজার মানুষের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় ধরনের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে এমইপি হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১০ একর জমির ওপর তাদের নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে, যেখানে আনুমানিক ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এই প্রকল্প পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে সরাসরি প্রায় দুই হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই কারখানায় মূলত বৈদ্যুতিক তার, সুইচ-সকেট, ফ্যান, এলইডি লাইট এবং সার্কিট ব্রেকারসহ বিভিন্ন উন্নত মানের ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদিত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে প্রকল্পের একটি ইউনিটে উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) মনে করছে, এ ধরনের দেশীয় বিনিয়োগ দেশের শিল্পায়নকে আরও গতিশীল করবে এবং আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে খাল দখল ও জলাবদ্ধতায় বিপাকে কৃষক, তলিয়ে গেছে হাজার বিঘা জমি

মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে এমইপি গ্রুপ, কর্মসংস্থান হবে ২ হাজার মানুষের

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় ধরনের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে এমইপি হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১০ একর জমির ওপর তাদের নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে, যেখানে আনুমানিক ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এই প্রকল্প পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে সরাসরি প্রায় দুই হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই কারখানায় মূলত বৈদ্যুতিক তার, সুইচ-সকেট, ফ্যান, এলইডি লাইট এবং সার্কিট ব্রেকারসহ বিভিন্ন উন্নত মানের ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদিত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে প্রকল্পের একটি ইউনিটে উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) মনে করছে, এ ধরনের দেশীয় বিনিয়োগ দেশের শিল্পায়নকে আরও গতিশীল করবে এবং আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।