ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ইসরাইলি বাহিনীর হাতে পশ্চিম তীরে ১২০ ফিলিস্তিনি গ্রেপ্তার, মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগ

ইসরাইলি বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরে গত দুই দিনে অন্তত ১২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে। ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকারবিষয়ক সংগঠন ‘সামিদুন’ (প্যালেস্টাইন সেন্টার ফর প্রিজনার্স অ্যাডভোকেসি) তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। সংগঠনটি এই গ্রেপ্তার ও অভিযানকে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরাইলের ‘শাস্তি ও প্রতিশোধমূলক নীতি’র অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি এক ফিলিস্তিনি পরিবারের জমিতে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। ওই হামলায় চার ফিলিস্তিনি ও দুই ইসরাইলি নিহত হয়েছিলেন। এরপরই ইসরাইলি বাহিনী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফিলিস্তিনিদের গণহারে গ্রেপ্তার শুরু করে। বিশেষ করে নাবলুস, তুলকারেমে ও হেব্রন অঞ্চলে অভিযানের তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। ইসরাইলি সেনাসদস্যরা সাধারণ মানুষের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় আটক ব্যক্তিদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায় বলেও অভিযোগ উঠেছে। কিছু অভিযানে সশস্ত্র ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরাও অংশ নেয় বলে জানা গেছে।

এই পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের জরুরি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ‘সামিদুন’ জাতিসংঘ, রেড ক্রস এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পায়রা সেতুতে টোল কালেক্টরের রহস্যময় মৃত্যু

ইসরাইলি বাহিনীর হাতে পশ্চিম তীরে ১২০ ফিলিস্তিনি গ্রেপ্তার, মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১২:২৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ইসরাইলি বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরে গত দুই দিনে অন্তত ১২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে। ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকারবিষয়ক সংগঠন ‘সামিদুন’ (প্যালেস্টাইন সেন্টার ফর প্রিজনার্স অ্যাডভোকেসি) তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। সংগঠনটি এই গ্রেপ্তার ও অভিযানকে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরাইলের ‘শাস্তি ও প্রতিশোধমূলক নীতি’র অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি এক ফিলিস্তিনি পরিবারের জমিতে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। ওই হামলায় চার ফিলিস্তিনি ও দুই ইসরাইলি নিহত হয়েছিলেন। এরপরই ইসরাইলি বাহিনী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফিলিস্তিনিদের গণহারে গ্রেপ্তার শুরু করে। বিশেষ করে নাবলুস, তুলকারেমে ও হেব্রন অঞ্চলে অভিযানের তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। ইসরাইলি সেনাসদস্যরা সাধারণ মানুষের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় আটক ব্যক্তিদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায় বলেও অভিযোগ উঠেছে। কিছু অভিযানে সশস্ত্র ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরাও অংশ নেয় বলে জানা গেছে।

এই পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের জরুরি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ‘সামিদুন’ জাতিসংঘ, রেড ক্রস এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।