ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লা ডিসি অফিসের বারান্দায় মোটরসাইকেল: জনদুর্ভোগ চরমে, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বারান্দাজুড়ে মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের কারণে সেবাগ্রহীতা ও দর্শনার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমনকি কিছু দপ্তরের দরজার সামনেও মোটরসাইকেল রাখায় সেগুলো বন্ধ রাখতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন দপ্তরের দরজার সামনে এবং বারান্দার প্রশস্ত অংশজুড়ে সারিবদ্ধভাবে মোটরসাইকেল রাখা হয়েছে। এই দৃশ্য দেখে সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, যদি এই মোটরসাইকেলগুলো ডিসি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়, তবে তাদের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা কেন করা হচ্ছে না?

গণমাধ্যমকর্মী জুয়েল রানা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘অফিসে প্রবেশকালে এমন দৃশ্য দেখে মনে হয়েছে এটি কি বাইকের শোরুম, নাকি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়?’ তিনি এই অব্যবস্থাপনার ছবিও তোলেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) দপ্তরে আসা হাবিবুর রহমান প্রথম তলায় মোটরসাইকেলের সারি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এমন চিত্র কেন? এখানে কি কোনো পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই? থাকলে এমন অবস্থা কেন? জেলা প্রশাসক মহোদয় বিষয়টি দেখবেন বলে আশা করি।’

সেবা নিতে আসা তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রথমে ভেবেছিলাম, হয়তো এখানে বাইক নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে জানতে পারলাম, ডিসি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী বারান্দায় বাইক রেখেছেন। এর কারণ জেলা প্রশাসক মহোদয়ই ভালো বলতে পারবেন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম স্বীকার করেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা এখানে বাইক রেখেছেন, তাদের সতর্ক করা হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন না হয়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিতর্কিত ফাইনালের পর অবসরে রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ

কুমিল্লা ডিসি অফিসের বারান্দায় মোটরসাইকেল: জনদুর্ভোগ চরমে, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

আপডেট সময় : ০১:৩১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বারান্দাজুড়ে মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের কারণে সেবাগ্রহীতা ও দর্শনার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমনকি কিছু দপ্তরের দরজার সামনেও মোটরসাইকেল রাখায় সেগুলো বন্ধ রাখতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন দপ্তরের দরজার সামনে এবং বারান্দার প্রশস্ত অংশজুড়ে সারিবদ্ধভাবে মোটরসাইকেল রাখা হয়েছে। এই দৃশ্য দেখে সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, যদি এই মোটরসাইকেলগুলো ডিসি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়, তবে তাদের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা কেন করা হচ্ছে না?

গণমাধ্যমকর্মী জুয়েল রানা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘অফিসে প্রবেশকালে এমন দৃশ্য দেখে মনে হয়েছে এটি কি বাইকের শোরুম, নাকি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়?’ তিনি এই অব্যবস্থাপনার ছবিও তোলেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) দপ্তরে আসা হাবিবুর রহমান প্রথম তলায় মোটরসাইকেলের সারি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এমন চিত্র কেন? এখানে কি কোনো পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই? থাকলে এমন অবস্থা কেন? জেলা প্রশাসক মহোদয় বিষয়টি দেখবেন বলে আশা করি।’

সেবা নিতে আসা তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রথমে ভেবেছিলাম, হয়তো এখানে বাইক নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে জানতে পারলাম, ডিসি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী বারান্দায় বাইক রেখেছেন। এর কারণ জেলা প্রশাসক মহোদয়ই ভালো বলতে পারবেন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম স্বীকার করেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা এখানে বাইক রেখেছেন, তাদের সতর্ক করা হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন না হয়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’