প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করার একটি महत्त्वाकांক্ষী রূপকল্প ঘোষণা করেছেন। এই রূপকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে একটি প্রধান উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
সম্প্রতি রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত এক বিনিয়োগ সম্মেলনে (এফডিআই) প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের এই অর্থনৈতিক ভিশন তুলে ধরেন। তিনি জানান, সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বদ্ধপরিকর। এজন্য তিনি দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং ব্যবসা প্রসারের আহ্বান জানান। এই বিনিয়োগ সম্মেলনে প্রায় ৬০০ প্রতিনিধি অংশ নিয়েছিলেন।
দেশ পরিচালনায় দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। দেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার ক্ষেত্রে এই ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনাকে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সাধারণত নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর ১০০ দিনের কর্মসূচি নেওয়া হয়, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনে করেন অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে হলে আরও কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ প্রয়োজন। তাই প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে ১৮০ দিনের একটি সুনির্দিষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, সঠিক নীতি বাস্তবায়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে এই অর্থনৈতিক স্বপ্ন সময়ের ব্যবধানে বাস্তবে রূপ নেওয়া সম্ভব। এবারের জাতীয় বাজেটে কিছু বিশেষ উদীয়মান খাতকে সুনির্দিষ্ট প্রণোদনা দিয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ওষুধশিল্প এবং ইলেকট্রনিক্স খাত।
রিপোর্টারের নাম 




















